“প্রেমের বাঁধন” জাকিরুল চৌধুরী

শহরের অদূরে একটি ছোট্ট গ্রাম আছে। গ্রামটির নাম অচিনপুর।

ঐ গ্রামে বসবাস করত আবু তাহের নামে একজন গরীব কৃষক। তাহার ঘরে জন্ম নিল এক পূর্ণিমা চাঁদের মতো এক কন্যা। সেই কন্যার নাম মারিয়া। সে যখন যৌবনে পর্দাপন হল তখন সে অনেক সুন্দরী। তাহার রুপে মুগ্ধ ঐ গ্রামের লোকজন। ঐ গ্রামের পাশে একটি গ্রাম রয়েছে। সে গ্রামের নাম তাহেরপুর।

তাহেরপুরে একজন জমিদার বসবাস করে। জমিদারের নাম অসীম। তাহার ঘরে জন্ম নিল এক ফুট ফুটে রাজপুত্র। রাজপুত্রের নাম আবির। গরীব কৃষকের মেয়ে আজ অনেক বড় হল। সে একদিন তাদের গ্রামের রাস্তা দিয়ে হাঁটছিল। সেই গ্রামে ছিল অনেক সুন্দর সুন্দর বাগান।

বাগানে দেখা যেত নানা রকম পাখি। পাখিদের মধ্যে একটির নামময়না। পাখিদের কলরবে ঐ গ্রামের মানুষদের ঘুম ভাঙত। মারিয়া এসব পাখিদের সঙ্গে সারাদিন খেলা করত। তার গ্রামের পরিবেশ তাকে মুগ্ধ করত। যখন সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসত সে তখন ঘরে ফিরত।

এইভাবে তার দিনগুলো কাটতে লাগলো । একদিন সে আমের বাগানের নিচে পাখিদের সঙ্গে খেলা করতে লাগল। তখন সূর্য ঠিক যেন মাথার উপর। সেই সময় রাজপুত্রের সঙ্গে তার দেখা। রাজপুত্র তাঁর রুপে মুগ্ধ হল।

তারা তাদের পরিচয় জানতে লাগল।

 

 

একে অপরের পরিচয় জানা হল। অবশেষে সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসতে লাগলো। সূর্য লালচে হয়ে যাচ্ছে। পাখিরা নিরবে ঘুমোবে। মারিয়া চলে গেল ঘরে ফিরবে। সে তার এভাবে দিনগুলো কাটতে লাগলো। জমিদারের ছেলে কৃষকের মেয়েকে দেখে তার ভালোবাসা জেগে ওঠে। সে রাতে তার স্বপ্ন যুগে কথা বলতে লাগলো।

পরের দিন সকাল হল। গ্রামের পাখিগুলো ভোরে কলরব করতে লাগল। পাখিদের কিচিরমিচির ডাক তার অনেক ভালো লাগতো। সকাল হল। সে আবার ঐ আম বাগানে ঘুরতে গেল।

সে গ্রামে অনেক রকম ফুল গাছও রয়েছে। সে সেই ফুল গাছ থেকে ফুল তুলে ফুলের মালা গাথে। ফুল তুলার সময় ঐ জমিদারের ছেলে আবির তার সাথে দেখা করতে আসল।

এভাবে আসতে আসতে তাদের একের প্রতি আরেক জনের মনের কৌতুহল বৃদ্ধি পেতে লাগল।।

বেশ কয়েকদিন এভাবে চলতে লাগল। এভাবে তাদের মনে ভালোবাসা জন্ম হল। এক পযায়ে তারা তাদের ভালোবাসা হয়ে গেল। তারা তাদের গ্রামের ভিতর দিয়ে হাটে তারা দুজনের হাতে হাত ধরে।

তাদের মনে এমন ভাবে ভালোবাসা সৃষ্টি হল যে তারা একে আরেক জনকে না দেখলে বাসতে পারবে না।

তখন সূর্য একটু হেলে পড়েছে।

সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসতে শুরু হল। বিকেল ভেলা শিমুল গাছের ডালেে পাখিরা ডাকতে লাগলো।

 

 

চারদিকে আধার ঘনিয়ে আসতে লাগলো। সেই সময় কৃষকের কন্যা মারিয়া ঘরে ফিরে আসে। রাতে চাঁদ নীর রাত। এই চাঁদ নীর রাতে তার এত ভালো লাগলো সে কথা বলা মুশকিল। সে রাতে ঘরে যখন শুতে যায়। তখন তার ঐসব স্মৃতি ভাসতে থাকে তার সামনে। একদিন সে যখন ফুলের বাগানে ফুল তুলতে লাগলো। সেই কিছুক্ষণ পরে এক সাপ তার পায়ে কামড় বসিয়ে দিল। সেই সময় তার সাথে কেউ ছিল না।ঐ সময় রাজপুত্র বাগানের মাঝ খান দিয়ে যাচ্ছিল। এসে দেখে তো অনেক সমস্যা। সে মারিয়া কে কাঁদে করে নিয়ে যায় এক বেদের কাছে। বেদে তাকে উজা ঝাড়ে। ভালো হবার পর সে তার সঙ্গে কথা বলতে শুরু করে যে আমি এখানে কিভাবে। এসব এখানে শেষ হয়ে যায়। মারিয়া ফুল অনেক ভালোবাসতো। সে সেই ফুল তুলে মালা গাথে। একদিন তারা তাদের এই আম বাগানে দেখা। এক দিন তারা তাদের আম বাগানে ঘুরে ঘুরে নানা রকম গাছ ও পাখপাখালি দেখল। তারা এই দৃশ্য দেখে খুব আনন্দ পেল। সেই দিন বেলা প্রায় শেষ। সূর্য টা আকাশের নিচে মনে হয় জুলিয়ে রয়েছে। আর কিছুক্ষণ পর সূর্য টা অস্ত খাবে। মারিয়া ও রাজপুত্র তারা তাদের নিজ গৃহে চলে যায় । পরদিন সকালে তাদের আবার এই আম বাগানের নিচে দেখা মারিয়া বলল আবির সাহেব। আসেন পুরো গ্রামটি ঘুরে দেখি।

পুরো গ্রামটি ঘুরে দেখি। গ্রামটি দেখা শেষ হল। তারা দুজন একটি বটগাছের নিচে বসে বিশ্রাম নেয়। তারা সারা গ্রাম ঘুরে ক্লান্ত হয়ে পড়েছে।

সূর্য লালচে হয়ে যাচ্ছে। আর অন্য দিকে পাবন বইছে। সমীরণের সঙ্গে আসছে নানা রকমের ফুলের গন্ধ। এ গন্ধ তাদের নাকের ডগায় আসতেই না আসতেই তারা সুগন্ধ পেতে লাগলো।

তাদের আর সময় নেই সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসতে লাগলো। আর অন্য দিকে ঝি ঝি রা ডাকছে। সন্ধ্যা বাতাসে সুদর্শন উড়ে বেড়ায়। রাজপুত্র রাতে বিছানায় ঘুমুতে গেলে তার ঘুম আসে না। সারা রাত নিদ্ররা হয়ে থাকে।

পরে তিনি হাটতে লাগলেন। আর রাতের বেলায় জোনাকি পোকাদের সাথে কথা ও খেলা করেন। তাতে করে তার মনে হয় আমার রাতটি কখন সকাল হবে। আর এই রাতে সে আকাশের দিকে তাকিয়ে বলে যে আকাশে তো হাজার হাজার তারা উঠেছে। আর একটি মাত্র চাঁদ। চাঁদ যদি আকাশে না উঠে তাহলে তো তারকাদের মনে হয় যেন নিঃস্ব চাঁদ ছাড়া।

তিনি এসব দেখে শিক্ষা নেন যে ামাকে ছেড়ে যদি মারিয়া চলে যায়। তাহলে তো আমিও তারাদের মতো নিঃস্ব হয়ে যাব। পরের দিন সকাল হল। ভোরে পাখিরা ডাকছে। তাদের ঘুম ভাঙ্গলো। তাদের পাখিদের ডাক খুব ভালো লাগে।

এতে করে তাদের পাখপাখালিদের ডাকে অনেক মুগ্ধ হয়। সকালে সূর্য যেন হাসছে তাদের সামনে মনে হয় ।

 

পাখিরা কলরব করতে লাগলো। তারা অনেক সময় সভা করত শিমুল গাছের ডালে বসে মিটিং দিত। অচিনপুর গ্রামের মাঝ খানে দিয়ে বয়ে গেছে একটি ছোট্ট নদী। সেই নদী বর্ষাকালে পাতি ভরপুর হয়ে থাকে। আর এই নদীতে তাদের গ্রামের মকবুল, হাসান, অমিত,তারা ছোট মাছ ধরে। একদিন বর্ষাকালে সময় আসে। সে সময় মারিয়া আর রাজপুত্র নৌকায় বেড়াতে যায়। সে খানে তাদের প্রেমের কাহিনী সব ঘটনা একে আরেক জন কে সব কথা বলে। তারা নৌকায় বেড়াতে বেড়াতে অনেক সুন্দর দৃশ্য চোখে পড়তে দেখে। তাতে তারা অনেক মুগ্ধ হয়ে যায়। তাদের মনে হয় যেন তারা স্বপ্নের জগতে হারিয়ে গেছে। যেন মনে হয় তাদের পরিস্তানে চলে গেছে। তাদের সামনে ভাসতে লাগল ফুলের বাগান আর অনেক রকমের ফল। ফুলের সঙ্গে খেলা করতে লাগলো মৌমাছি, ভ্রমর, প্রজাপতি।প্রজাপতির ডানায় যেন রেশমী শাড়ির সুতা দিয়ে তৈরি। এতে করে তা তারা অনেক মুগ্ধ হল।আর এদিকে সূর্য হেলে পড়েছে। তারা নৌকা থেকে নেমে আসে একটি সুন্দর ব্রিজের কাছে। ব্রিজে এসে তারা হাতে হাত ধরে হাঁটতে লাগলো। তাদের এসব ঘটনা দিনের পর দিন এভাবে চলতে লাগলো। একদিন হটাৎ তাদের এ প্রেমের ঘটনা জমিদার জেনে গেলো। জমিদারের কাছে সমাচার

 

জমিদারের কাছে সমাচার পৌঁছায় সাগর নামে এক বালক। সে বালক এসে বলে জমিদারের কাছে রাজপুত্রের প্রেমের কথা । তার পর জমিদার সে রাজপুত্র ের প্রেমের কাহিনী সব দেখতে পেল। আর তারপর জমিদার বলল মেয়ে টা কে?তার খুঁজ নাও। জমিদারে কথায় মেয়েটির খুঁজ খবর নিল।নিয়ে দেখে এক দরিদ্র কৃষকের মেয়ে। বাবা জেলে সে সারাদিন নদীতে মাছ ধরে। আর সে মাছ বিক্রি করে তার সংসার চালায়। জমিদার মেয়েটিকে একদিন তার রাজ দরবারে ডাকে। মেয়ে টি তখন আসে।সেখানে সে সবকিছু ঘটনা খোলে বলে।।মেয়েটির নাম জিজ্ঞেস করলে বলে মারিয়া। এসব কিছুর শেষে জমিদার তাদের মাফ করলো না। মেয়েটি কে কারাগারে বন্দি করা হল।আর অন্য দিকে রাজপুত্র ব্রিজ থেকে নদীতে ঝাপ দিয়ে পানি খেয়ে ভেসে আসে নদীর তীরে। এমন সময় মারিয়া র বাবা রাজপুত্র কে তুলে নিয়ে যায় তার বাড়িতে। সে নিয়ে রাজপুত্র কে সুস্থ করে তুলেন। আর অন্য দিকে তার মেয়ে ঘরে নেই। সে রাজপুত্র কে জিজ্ঞেস করে। তার সব পরিচয় বলে।রাজপুত্র সবশেষে জানতে পারল যে সে মারিয়া র বাবা।সে তাদের প্রেমের ঘটনা না বলে। কৃষকের মেয়ে র নাম জিজ্ঞেস করল। কৃষক বলল আমার মেয়ের নাম মারিয়া। রাজপুত্র তাকে চিনে পেলল।

 

 

চেনার পর সে বলে না। যে আমি তাকে চিনি। সে আপনার মেয়ে। সে বলল জমিদারের বাড়িতে একটি সুন্দরী মেয়ে কে কারাগারে অন্ধ কুটরে বন্দী করা হয়েছে। তারপর কৃষক জমিদারে দরবারে রওনা দেন।রওনা দেওয়ার সময় রাজপুত্র বলল আমি কি আপনার সাথে যেতে পারি। মারিয়া র বাবা বললনা।ামার সাথে যেতে হবে না। আর অন্য দিকে মারিয়া মুক্তির প্রহর গনছে। সে কখন এ অন্ধ কুটরি থেকে মুক্তি পাবে।এমন সময় তার বাবা দৌড়ে এসে জমিদারের দরবারে। এসে বলে হুজুর সাহেব আপনার এখানে আমার মারিয়া বন্দি। বলে হ্যা। আপনার মেয়ে র নাম কি। কৃষক বলে মারিয়া। কৃষক জমিদারকে বলেন হুজুর আমার মেয়ে কে কেন বন্ধি করা হয়েছে। জমিদার বলে আপনার মেয়ে একজন কৃষকের মেয়ে হয়ে কিভাবে আমার ছেলের সঙ্গে প্রেম করে। তাই আমি তাকে বন্ধি করে রেখেছি। জমিদার বলে আমার ছেলে কে আপনি কোথায় রেখেছেন। এমন সময় রাজপুত্র হাজির হলেন। বলেন আপনার মেয়ে এই আমার পুত্রের সঙ্গে মেলা মেশা করেছে দিনের পর দিন। কিছুক্ষণ পর মারিয়া বলে আমি আপনার ছেলে র সঙ্গে প্রেম করতে ও মেলামেশা করতে চাইনি। আপনার ছেলে আমার রুপ দেখে প্রেমে পড়েছে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *