গল্পপাঠ ǁ শ্রাবণ ১৪২৩ সংখ্যা।। জুলাই। ২০১৬ খ্রিস্টাব্দ।। সংখ্যা ৪৪

১. যারা গল্প লেখেন, লিখতে শুরু করেছেন বা গল্প লিখতে চান, তাদের নিয়মিত শ্রেষ্ঠ গল্প পড়া দরকার। জানা দরকার একটি গল্প কীভাবে শ্রেষ্ঠ হয়ে ওঠে। শ্রেষ্ঠত্বের পরিমাপগুলো কী কী। সেজন্য গল্পের শৈলী বিষয়ক বইপত্রের সাহায্য নিতে পারেন। এছাড়া সেরা গল্পকারদের সাক্ষাৎকার খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পড়ুন। এ ব্যাপারে প্যারিস রিভিউ পত্রিকার সাক্ষাৎকারগুলো অতুলনীয়। এই সাক্ষাৎকারগুলো গল্পপাঠ অনুবাদ করে প্রকাশ করছে।

২. গল্পপাঠ যারা পড়েন, আশা করা যায়–তারা কম্পিউটার, ট্যাব বা স্মার্ট ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। এই যন্ত্র ব্যবহার করে তারা বাংলা বিশ্বসাহিত্যের শ্রেষ্ঠ কথাসাহিত্য ও সাহিত্যতত্ত্ব, শৈলী বিষয়ক বিষয়ক পিডিএফ যোগাড় করে পড়ার সুযোগ ও সময় করতে পারেন। আমার বই নামে একটি ওয়েবসাইট রয়েছে যারা অবানিজ্যিকভাবে বইপত্রের পিডিএফ সরবরাহ করে। একদম ফ্রি। তাদের সাহিত্যরুচি প্রশংসাজনক।

তবে যাদের সুযোগ রয়েছে তারা বইগুলোর হার্ডকপি বাজার থেকে কিনে পডুন। এখন অনলাইনেও কেনার বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে।

৩. নানা সাইটে পৃথিবীর সেরা চলচ্চিত্রগুলো পাওয়া যায়। এর মধ্যে রয়েছে কিছু ফ্রি সাইট। আবার কিছু পেইড সাইটও আছে। কোথাও কোথাও মুভি লাইব্রেরিও রয়েছে। সেখান থেকে মুভির ডিভিডি ভাড়া নেওয়া যায়। কিনতে পারা যায় ডিভিডিগুলো। বইপাঠের পাশাপাশি সেরা মুভিগুলো দেখুন।
দেখুন, একজন পরিচালক কী করে মুভিটি বানানোর আগে প্রতিটি শট সাজিয়েছেন। কয়েকটি ওয়ার-মুভির নাম দেওয়া হলো–
The Artist and the Model, Renoir, Sophie’s Choice, run boy run, Schindler’s List , The Boy in the Striped Pyjamas, Anne Frank,Night Train to Lisbon,Remembrance.
এর মধ্যে The Artist and the Model, Renoir–মুভি দুটোতে বিশ্বযুদ্ধ এসেছে পটভূমি হিসেবে। কোনো যুদ্ধই দেখানো হয়নি। কিন্তু যুদ্ধের সময়কার মুভি হিসেবে অসাধারণ।

গান নিয়ে আলোচনা–
তুমি কি কেবলি ছবি

আনুষ্কা শঙ্করের যন্ত্রসঙ্গীত শুনুন

২৮ জুলাই কথাসাহিত্যিক মহাশ্বেতা দেবী চলে গেলেন। তিনি প্রধানত লিখেছেন আদিবাসীদের নিয়ে। শুধু লিখেই নয়–তাদের অধিকার আদায়ের জন্য লড়াই সংগ্রামও করেছেন। এর জন্য নিজের সংসারকে ত্যাগ করেছেন। নিজের উপন্যাস হাজার চুরাশির মা নামে তিনি পরিচিত হয়েছেন। পৃথিবীর নানা ভাষায় প্রকাশিত হয়েছে তার লেখা পত্র। লিখেছেন ১৫০র অধিক উপন্যাস। গল্প লিখেছেন ৪০০ থেকে ৫০০। পাঠকের দিকে তাকিয়ে তিনি লেখেননি। পাঠককে তার লেখার দিকে তাকাতে বাধ্য করেছেন।
মহাশ্বেতা দেবীর মহাপ্রয়াণে কথাসাহিত্যিক অমর মিত্র, স্বপ্নময় চক্রবর্তী, ইমতিয়ার শামীম, হামীম কামরুল হক ও রুমা মোদকের শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রকাশ করা হলো। সঙ্গে পড়ুন মহাশ্বেতা দেবীর দুটি অসামান্য গল্প।

শ্রদ্ধাঞ্জলি
অমর মিত্র

স্বপ্নময় চক্রবর্তী
ইমতিয়ার শামীম
হামীম কামরুল হক
রুমা মোদক

অভ্র ঘোষ’এর প্রবন্ধ
পাওয়ার

ক্ষমতা বা পাওয়ার সম্পর্কে পূর্ণ ধারণা ছাড়া জীবন, ব্যক্তি, পরিবার, প্রতিষ্ঠান বা রাষ্ট্রকে ব্যাখ্যা করা যায় না। এদিক থেকে ক্ষমতাকে বোঝা মানেই সত্যকে বোঝার চেষ্টা। কারণ সত্য আসলে এক প্রকার ক্ষমতাই। সত্য অর্থ কী? সত্য হলো ঘটনা। এই ঘটনা থেকেই গল্প রচিত হয়।
ক্ষমতা বা পাওয়ার সম্পর্কে  সাবেকী, আধুনিক, উত্তরাধুনিক ধারণাগুলো নিয়ে অর্ঘ ঘোষের প্রবন্ধ প্রকাশিত হলো। এর মধ্যে মার্কসের ক্ষমতা ও ফুকোর ক্ষমতা তত্ত্ব নিয়ে তিনি এ প্রবন্ধে কথা বলেছেন।

একই সঙ্গে শুনুন দেবপ্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায়ের আলোচনা–


নাৎসি গণহত্যার শিকার হতে গিয়ে মাত্র আট বছর বয়েসী ছেলে  পালায়  ওয়ার শ থেকে–একটি বনের দিকে। এভাবে দৌড়ে যেতে হয় তাকে। আশ্রয় মেলে না কোথাও। যখন আশ্রয় মেলে তখন তার নাম পালটে যায়। পরিচয় পালটে যায়। ধর্ম পালটে যায়। তারপরেও তার রেহাই মেলে না। আততায়ী তাকে তাড়া করে চলে। প্রাণ বাঁচাতে ছুটতে হয়। এটা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার একটি সত্যি ঘটনার চলচ্চিত্ররূপ।
আমাদের দেশেও এই রকম সন্ত্রাস চলছে দীর্ঘদিন ধরে। একাত্তরে তার একটি সর্বগ্রাসী রূপ আমরা দেখেছিলাম। দীপেন ভট্টাচার্য লিখেছেন এই রকমই একটি আট বছর বয়েসী ছেলেকে নিয়ে যাকেও তাড়া করছে মৃত্যু। তাকেও ছুটতে হচ্ছে প্রাণের তাগিদে। এটা যেন সেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আরেকটি বাংলাদেশী ভার্সন।


কয়েকটি দরকারী লেখা পডুন 
দেবপ্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায়

হামীম কামরুল হক

শামিম আহমেদ

অমর মিত্রের আয়োজন

                                সেরা চারটি গল্প
তিরিশের কল্লোল যুগে বাংলা সাহিত্য যে ক’জন তাদের দ্যুতি ছড়িয়েছিলেন তাদের মাঝে প্রেমেন্দ্র মিত্র অন্যতম। তাঁর বেশকিছু গল্প সাহিত্যের অমূল্য সম্পদ। জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী ও দেবেশ রায় লেখকদের লেখক অর্থাৎ কেউ যদি গল্প লিখতে চায় তাহলে এ দু’জনের গল্প অবশ্য পাঠ্য। আর চল্লিশ দশকের প্রায় প্রারম্ভিক কাল ঘেঁষা বাংলা সাহিত্যের কাল পর্বের জীবন শিল্পী সুবোধ ঘোষ। বাংলা সাহিত্যের অঙ্গনে একটু বেশি বয়সে যোগদান করেও নিজস্ব মেধা মনন চিন্তা চেতনা আর লব্ধ অভিজ্ঞতার আলোকে তাঁর অসাধারণ রচনা সম্ভারের মাধ্যমে নিজেকে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে সমর্থ হন তিনি।
কথাসাহিত্যে চার দিকপালের চারটি সেরা গল্প পডুন এ সংখ্যার গল্পপাঠে।

কাজল বন্দ্যোপাধ্যায়’এর প্রবন্ধ–
‘শেষের রাত্রি’ এবং রবীন্দ্রনাথের ভিন্নতর নারীভাবনা

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গল্প : শেষের রাত্রি

নাইজেরিয়ার কবি ও কথাসাহিত্যিক বেন ওকরি’কে বলা হয় আফ্রিকার জাদুবাস্তববাদী লেখক। তাঁকে নিয়ে লেখা ও তাঁর গল্প নিয়ে নিচের আয়োজন–

পৃথিবীর ক্ষুধার্ত পথে হেঁটে বেড়ানো পবিত্র সেই বালকটি– বেন ওকরি
বিপাশা চক্রবর্তী

বেন ওকরি’র গল্প : সোনালী নরক
অনুবাদ : বিকাশ গণ চৌধুরী

অনামিকাস জার্নাল : চাই-ল্যাটে
বর্ণবাদ বহুকালের অসুখ। এর প্রকাশ্য চেহারা আছে–আবার গুপ্ত চেহারাও আছে। এর কিছু কিছু আমরা উত্তরাধীকারসূত্রে প্রাপ্ত হই। কিছু কিছু যৌথ অবচেতনার অংশ হয়ে আসে। একে চেনা সহজ নয়। এই কঠিন বিষয়টি নিয়ে সহজ করে লেখা–
মেল্টিং-পট, ফিশ-কারি ও মিথিক্যাল অ্যান্সেস্টরস
অনামিকা বন্দ্যোপাধ্যায়

বৈজ্ঞানিক কল্পগল্প
অদিতার আঁধার : চতুর্থ পর্ব

তৃতীয় পর্ব ও অন্যান্য পর্বের লিঙ্ক
এটা সেই সময়ের উপন্যাস যে সময়ে কেউ মরে যায় না। প্রত্যেকের মস্তিষ্কের অনুলিপি সুরক্ষিত ব্যাঙ্ক ‘নিলয়া’য় সংরক্ষিত থাকে। সে সময়ে বিজ্ঞানীরা প্রকৃতির সঙ্গে প্রকৌশলকে  নরমভাবে সংযুক্ত করতে পেরেছেন। পৃথিবীর বুকে বিশাল নির্মাণই যে মানব জাতির সাফল্য সেই ধারণা থেকে তারা সরে এসেছেন। কেউ মারা গেলে সেই অনুলিপি থেকে তাকে বাঁচিয়ে তোলা যায়। 
বন বিশেষজ্ঞ অদিতা মারা গেছেন। বিনতা তাকে খুঁজে বের করেছেন একটা পাহাড়ের নিচের খাদ থেকে। তার মৃত্যু কি স্বাভাবিক? এই পর্বে বিনতা, বিষাণ, চাঁদে হারিয়ে যাওয়া ছেলে সেনভা, সিলেয়া, নিলয়ের প্রধান ডক্টর তারকার আর প্রধান সার্জন আর প্রকৌশলী স-কুরা। বিজ্ঞান, কবিতা আর ফিকশনের অসামান্য ফিউশন এই উপন্যাসটি পড়ুন–

শামসুজ্জামান হীরা’র গল্প : কৃষ্ণকলি
গল্পটি একটি কালো মেয়ের। বয়স মাত্র সতেরো। আর কথকের বয়স ষাটোর্ধ। অসম বয়েসী এই দুই জন মানুষের মধ্যে প্রেম গড়ে উঠেছিল কিনা কথক জানেন না। কিন্তু মেয়েটি জানে। মেয়েটিকে জানতে হয়। কথককে না জানলেও চলে। না, এই গল্পের মধ্যে ট্র্যাডিশনাল প্রতারণা নেই। আছে একটি প্রেম। শামসুজ্জামান হীরা এই প্রেমের গল্পটি বলেছেন অন্য রকম একটা ম্যাচিউরড ভাষায় ও ভঙ্গীতে।

লেখকের সঙ্গে আলাপ : রমাপদ চৌধুরী

অরুণকুমার মুখোপাধ্যায়

গল্পটি দুজন নারীর গল্প। দুজনের একজন চাকরি করেন। আরেকজন ব্যবসা করেন। দুজনেরই সিঙ্গেল লাইফ। বিয়ে করেছেন, কি করেছিলেন–জানা যায় না। তবে দুজনেই স্বাধীনভাবে থাকেন।
এরা বেড়াতে গেছেন নিজেদের গ্রামের বাড়িতে। নিজেদের গাড়িতে।
ফেরার পথে ফেরিতে এক যুবকের সঙ্গে দেখা।
এ ধরনের আখ্যান সাধারণত পুরুষ লেখকের কলমে হয়। কিন্তু লেখক যখন ব্যক্তিগত জীবনে নারী হন এবং তাঁর প্রটাগোনিস্ট হয় নারী–তখন গল্পের ভাষ্য পালটে যায়।
সে অর্থে এটা অন্য ধারার গল্প এই বাংলাদেশে। পড়ুন–
মাসুদা ভাট্টির গল্প :  
কুসুমকুমারী ভিআইপি ফেরি

বিশ্বসাহিত্যে অনুগল্প
ভূমিকা, অনুবাদ ও সম্পাদনা : মোজাফফর হোসেন
আটটি অনুগল্প
জেমস থার্বার, ফ্রানৎস কাফকা, বনফুল, ম্যারি বয়লি ও’রেইলি, লিডিয়া ডেভিস, স্বপ্নময় চক্রবর্তী, ভাস্কর চৌধুরী, মোজাফফর হোসেন।

মোজাফফর হোসেনের গল্প
আমরা চাইনি ও যথার্থ জীবনানন্দ হোক

মাহবুব লীলেন’এর গল্প :
ভাসানডাঙা

চলতি হাওয়া

বাংলাদেশে ধর্মীয় মৌলবাদী জঙ্গি কর্মকাণ্ড মাথা চাড়া দিয়েছে। মুক্তমনা, যুক্তবাদি, ব্লগার, বিজ্ঞানমনষ্ক, সংস্কৃতি-কর্মী, প্রকাশক, নাস্তিক,সংখ্যালঘু আক্রান্ত হচ্ছেন। অনেককে হত্যা করা হয়েছে। সম্প্রতি গুলশানের একটি রেস্তোরায় আক্রমণ করে ঠাণ্ডা মাথায় হত্যা করা হয়েছে ২৮ জনকে। এর মধ্যে বিদেশিদের সংখ্যা বেশি। শোলোকিয়ায় ঈদের জামায়াতে আক্রমণ করা হয়েছে পুলিশদের উপর। এই ‘ধর্মীয়’ ‘জঙ্গি ‘ ‘মৌলবাদ’ বিষয়গুলোকে নিয়ে দুজন কথাসাহিত্যিক-সাংবাদিকের সাক্ষাৎকার পড়ুন–

মাসুদা ভাট্টি–
গল্পটিতে উপন্যাসের মেরিট আছে। লেখা হয়েছে ছোটো ছোটো কয়েকটি পর্বে। নির্মেদ ভাষায় আখ্যান-বর্ণনা করেছেন রুমা মোদক।
গল্পটি চা বাগানের কুলি কামিনদের আর বাঙালি টিলাবাবুর। এর মধ্যে নতুনত্ব নেই। কিন্তু নতুনত্ব এসেছে একটি নতুন সাবানের বাজারে-আগমন হেতু। সেখানে এসে মোড় খায় গল্পটি। বুঝতে পারি–রুমা তার ম্যাজিক্যাল হাতে কুলি কামিনদের স্পট থেকে সরিয়ে নিয়ে গেছেন বাঙালি টিলাবাবুর ব্যক্তিগত সংসারে।
এই গল্পটিও বলে দেবে, লেখালেখির ইস্টিশনে নতুন একটা ট্রেন এসেছে। তার চালক–রুমা মোদক। 

গল্পটি মাত্র ৫৯১ শব্দে লেখা। দুটি স্তর আছে। একটি স্তরে ২৫ বছর আগেকার লেখা একটা ঘটনা। সত্যি হতে পারে। নাও হতে পারে। কারণ গল্পের কথক বলছেন তিনি এক হরতালের দিনে অবসর কাটানোর জন্য অফিস লাইব্রেরি থেকে গল্পের বইটি এনেছেন। পড়তে শুরু করেছেন। সেখানেই পরিমল নামের একটি চরিত্রকে পেয়েছেন। ছেলেটি বিপ্লবী। দুটো খুন আর ডাকাতির মামলায় পুরুলিয়ার জঙ্গলে পালিয়ে আছে। চারদিন পরে ভাত খেতে বসেছে এক সাঁওতাল পরিবারের উঠোনের এক গাছ তলায়।
তখন একটি চিঠি পায়। মোম খুবই অসুস্থ। তাকে মোমের মা অবিলম্বে যেতে বলেছে। ছেলেটি রওনাও করেছে। পুলিশি তার আসার খবর পেয়ে তাকে ধরতে ফাঁদ পেতেছে।
গল্পের এইটুকু পড়েছে দিবাকর। আমরা এইটুকুই জানতে পারি পড়া গল্পের মধ্য থেকে।


ফজল হাসানের অনুবাদ আয়োজন
আর্জেন্টিনার গল্প

ছাড়পত্র
মূলঃ লুইজা ভেলেনজুয়েলা

ব্রাজিলের গল্প : 
মূলঃ নেলিদা পিনওন

কয়েকটি গল্প
বিপ্লব বিশ্বাস

দেশে চাকরিরত একজন উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা কানাডায় চলে গেছেন। চাকরি জীবনে ছিলেন অতি সৎ। এবং নিয়মতান্ত্রিক।
বিদেশে আসার পরে তিনি কালচারাল শকিংএর শিকার হন। তার মন পড়ে থাকে দেশে। অচিরেই তিনি বুঝতে পারেন বিদেশটাও তার জীবনের অংশ হয়ে গেছে।
মোমিনুল আজমের লেখা নির্ভার। সরল করে প্রকাশ করতে পারেন। আকর্ষকও বটে। এবং পরিণত। এই গল্পটি হতে পারে কোনো উপন্যাসের অংশ। আবার পূর্ণ গল্প হিসেবে দাঁড়িয়ে থাকে। 

কুলদা রায়ের গল্প : বৃষ্টি চিহ্নিত জল

Leave a Reply

Your email address will not be published.

-+=