বিখ্যাত মুকাভিনেতার জীবনের অন্তিম দিনগুলি

অষ্ট্রেলিয়ার গল্প
মূলঃ পিটার ক্যারী
অনুবাদঃ ফজল হাসান
খুব সামান্য মালপত্র নিয়ে মুকাভিনেতা অ্যালিটালিয়ার বিমানে করে এসে পৌঁচেছে । মালপত্রের মধ্যে রয়েছে একটা বাদামি রঙের কাগজের প্যাকেট, যা দেখতে অনেকটা মহিলাদের হাত ব্যাগের মতো ।

বাদামি রঙের প্যাকেটে কি আছে জানতে চাইলে মুকাভিনেতা বললো, ‘দড়ি ।’
কিসের জন্য জিজ্ঞেস করতেই উত্তরে সে বললো, ‘বড় পার্সেল বাঁধার জন্য ।’
তামাশা করার জন্য মুকাভিনেতা কথাটা বলেনি । বরং সাংবাদিকদের হাসতে দেখে সে খুশিই হলো । তবে কোনো ব্যাপারে উৎসাহিত হয়ে অযথা হাসা তার স্বভাবে নেই । বরং মুকাভিনয়ের মাধ্যমে লোকজনদের ভয় দেখানোর জন্য তার যথেষ্ঠ সুনাম রয়েছে ।
বর্তমানে যদিও মুকাভিনেতার হতাশার কথা সারা ইউরোপে এক আলোচ্য বিষয়, তবে কয়েকজন তার ভবিষ্যতের আশা-আকাঙ্খার বিষয়ে একধরনের বিরূপ ধারনা পোষন করে ।
‘দড়ি,’ মুকাভিনেতা ব্যাখ্যা করে বললো, ‘এক বিশেষ ধরনের প্রার্থনা, যা আমি সব সময়ই করি ।’
অনিচ্ছাসত্ত্বেও মুকাভিনেতা প্যাকেট খুলে উপস্থিত সবাইকে দড়িটা দেখালো । দড়ির রঙ নীল এবং যখন সে পুরোটা খুললো, তখন মেপে দেখা গেল ওটা ঠিক তিপ্পান্ন মিটার দীর্ঘ ।
সেদিনই মুকাভিনেতা এবং তার দড়ির কাহিনী পত্রিকার বৈকালিক সংস্করণের প্রথম পৃষ্ঠায় ছাপা হয় ।
২.
প্রথম প্রদর্শনীতে মুকাভিনেতার অভিনয় দেখে দর্শকরা সহজেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল । কেনোনা তার আতঙ্কিত করার ক্ষমতা সম্পর্কে তারা মোটেও প্রস্তুত ছিল না । পুনরায় নিজেদের আসনে ফিরে আসার ইচ্ছে নিয়ে ভয়ে দর্শকরা ঝটপট আসন ছেড়ে বাইরে চলে যায় ।
একসময় স্নোরক্যাল ডুবুরিদের মতো ভয়ার্ত দর্শকরা কনসার্ট হলের দরজায় এসে দাঁড়ায় । হলের ভেতর পূর্বের দৃশ্য দেখে তারা রীতিমতো হতভম্ব ।
৩.
মুকাভিনেতার অভিনয় সম্পর্কে বেশ কিছু বই লেখা হয়েছে, এমনকি তার জীবনীর ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে পুরস্কার প্রাপ্ত ছবির কাহিনী । কোনো এক ছোট শহরে প্রথম সকালেই সে জানতে পারে যে স্থানীয় খবরের কাগজের একজন সাংবাদিক-সমালোচক তার অভিনয় মোটেও পছন্দ করেনি । খবরটা জানার পর থেকেই সে ভীষণ বিমর্ষ এবং হতাশ হয়ে পড়ে ।
‘আমি বুঝতে পারি না,’ সমালোচক লিখেছে, ‘দর্শকদের অযথা ভয় দেখানোর বিষয়টা কিছুতেই আমার বোধগম্য হয় না ।’
খবরটা পড়ার পর মুকাভিনেতা বিছানায় বসে গভীর চিন্তায় ডুবে থাকে । তার ভাবনার পুরোটা দখল করে আছে কেমন করে সে ভবিষ্যতে আরো হালকা ভাবে অভিনয় করে দর্শকদের ভয় না দেখিয়ে তাদের মন জয় করবে ।
৪.
স্বাভাবিক ভাবেই যে সব মহিলারা মুকাভিনেতার হৃদয় জয় করতে পাগলিনী, সে সব মহিলাদের সে সহজেই আকৃষ্ট করতে পারঙ্গম । অই সব মহিলারা তার বিছানায় আসতো, যেমন জটিল রোগীর অস্ত্রোপচার করতে নামীদামী শল্যচিকিৎসকরা আসে । তবে তারা ভীষণ ধৈর্যশীলা এবং বুদ্ধিমতি । কখনোই তারা সহজে পরাজয় মেনে নিতে রাজি নয় ।
৫.
ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অযথা দোষারূপ করে তাকে রীতিমতো হেয় এবং ঘৃণা করার জন্য মুকাভিনেতা যারপরনাই বিস্মিত ।
‘অবশ্য’ সে বললো, ‘এখন যদি তুমি আমাকে ঘৃণা করো, তবে তার জন্য তুমি কিন্তু দায়ী । কেনোনা তুমিই আমার ভালোবাসার মোহে পড়েছ, আমি তোমার ভালোবাসর মোহে পড়িনি ।’
‘আপনি একটা আস্ত শয়তান,’ কপট সুরে মহিলা বললো, ‘পার্সেলের ভেতর কি আছে ?’
‘তোমাকে আগেই বলেছি,’ চোখেমুখে অসহায়ত্বের করুণ চিহ্ন ফুটিয়ে সে বললো, ‘দড়ি ।’
‘আপনি একটা মিথ্যুক,’ রাগে-ক্ষোভে মহিলা বললো ।
পরে যখন মুকাভিনেতা পার্সেল খোলে, তখন সে বুঝতে পারে ইতিমধ্যে মহিলা পার্সেল খুলে দেখেছে । দড়ি সম্পর্কে মহিলার ধারনা সঠিক । মহিলা এমনভাবে দড়িটা টুকরো টুকরো করে কেটেছে যা দেখলে মনে হবে কোনো অখ্যাত রেঁস্তোরার স্প্যাগেটি ।
৬.
প্রদর্শনীর উদ্যোক্তাদের পরামর্শ উপেক্ষা করে মুকাভিনেতা প্রেম এবং হাসির দু’টি অনুষ্ঠানের জন্য পুরোপুরি মনোনিবেশ করে । কিন্তু দু’টি অনুষ্ঠানই চরমভাবে ব্যর্থ হয় । তার মনে হয় এখানে আতঙ্কের মতো প্রেম ও হাসির মুকাভিনয় দর্শকদের মনে সাড়া জাগাতে পারেনি ।
তাড়াতাড়ি পরবর্তী অনুষ্ঠানের তারিখ ঘোষনা করা হয়।
অনুষ্ঠানের নাম রাখা হয় ‘অনুশোচনার দু’ঘন্টা ।’
হুড়মুড় করে অনুষ্ঠানের সব টিকেট বিক্রি হয়ে যায় । অনুষ্ঠানের শুরুতেই মুকাভিনেতা হালকা ভাবে প্রেম ও ভালোবাসা সম্পর্কে ভূমিকা রাখে, যা রীতিমতো অনুশোচনা মতো শোনায় । পরে সে জটিল ব্যাখ্যা দেয় এবং ক্রমশ সে তার আসল অভিনয় প্রদর্শন করে । সে সময় দর্শকদের চোখেমুখে আতঙ্ক আর চাপা উত্তেজনা দেখা দেয় । অনুষ্ঠানের শেষাংশে সে চমৎকার ভাবে অনুশোচনাকে একাকীত্ব এবং একাকীত্বকে আতঙ্কে ফুটিয়ে তোলে । মন্ত্রমুগ্ধের মতো দর্শকরা তা উপভোগ করে, যেমন সাহসী ভ্রমণকারীরা কোনো ভারতীয় রেস্তোঁরায় ঝাল খাবার খেয়ে বীরত্ব জাহির করে ।
৭.
‘আপনি কি করছেন,’ মহিলা বললো, ‘সুকৌশলে আপনি আপনার ক্ষেপাটে ভাবটাকে পুঁজি করছেন । ব্যক্তিগত ভাবে আমি মনে করি এটা নিদারুণ বিরক্তিকর, যেমন কেউ তার বিকৃত পা দেখিয়ে কিংবা তুর্কী ভিক্ষুকেরা পঙ্গুত্বকে প্রদর্শন করে পথচারীদের বিরক্তি সৃষ্টি করে ।
মুকাভিনেতার মুখে কোনো রা নেই । কেনোনা তার সম্পর্কে আগে থেকেই বিরূপ ধারনা পোষণ করার জন্য সে মহিলার ওপর সামান্য রাগান্বিত ।
ভুল বুঝে মহিলা মুকাভিনেতার মৌনতাকে একধরনের অবজ্ঞার দৃষ্টিতে দেখে ।
অভিমানে মহিলা মুকাভিনেতার মুখের ওপর এলোপাথারি কিলঘুষি দিতে থাকে ।
বিনিময়ে মুকাভিনেতার ঠোঁটের ফাঁকে ফুটে ওঠে উজ্জ্বল হাসির রেখা ।
৮.
জনগণের কল্পনার মায়াবী জালে নীল দড়ির গল্প গেঁথে গেছে । মুকাভিনেতার অনুষ্ঠানের আগে দরজায় ছোট বাদামি রঙের কাগজের প্যাকেটগুলো বিক্রি হয়ে যায় ।
স্টেজে দাঁড়িয়ে মুকাভিনেতা দর্শকদের প্যাকেট খোলার কড়কড় আওয়াজ শুনতে পেল । তার মনে হলো আমেরিকান বৃদ্ধা মহিলারা মুসলমানদের জায়নামাজ কিনছে ।
৯.
ঘনঘন অনেকগুলো প্রদর্শনী করার জন্য মুকাভিনেতা ভীষণ ক্লান্ত এবং দূর্বল হয়ে পড়ে । তার মনের ভেতর সন্দেহের দানা বাঁধে যে সে বছরের পর বছর নিজেকে অযথা কষ্ট দিয়েছে । আগের মতো এখন তার তেমন উৎসাহ এবং উদ্দীপনা নেই, বরং অনেকটা সময় সে একাকী মোটেলের নির্জন কক্ষে চুপচাপ বসে এয়ারকন্ডিশনারের অনবরত আওয়াজ শুনে সময় কাটায় ।
মুকাভিনেতার আত্মবিশ্বাস তলানিতে এসে ঠেকেছে । অতীতে মতো সে দর্শকদের চাহিদা বুঝে উঠতে পারে না ।
নিজের অজান্তেই একসময় মুকাভিনেতা এ্যাশ ট্রে পরিস্কার করে । তারপর সে বাদামি রঙের প্যাকেট খোলে এবং ছোট ছোট দড়ির টুকরোগুলো পানির পাত্রে ছুড়ে ফেলে । পাত্রের পানি যখন পুনরায় শান্ত এবং স্থির হয়, তখন দড়ির টুকরোগুলো পানির উপর ভাসতে থাকে, যেরকম সর্বনাশা ঘূর্ণিঝড়ের পর সাগরের পানিতে ভেসে থাকে হরেক রকমের জিনিস ।
১০.
মুকাভিনেতা সংবাদ সম্মেলন ডেকে ঘোষনা করে যে এরপর আর কোনো প্রদর্শনী হবে না । সেই সময় তার চোখেমুখে অসহায়ত্বের করুণ ছবি ফুটে ওঠে । সাংবাদিকদের কাছে স্পষ্ট হয়ে ধরা পড়ে যে মুকাভিনেতা তার সমস্ত উৎসাহ-উদ্দীপনা হারিয়ে ফেলেছে । উৎকন্ঠিত সাংবাদিকদের হাতের লেখার দিকে মুকাভিনেতা পলকহীন তাকিয়ে থাকে ।
সংক্ষেপে মুকাভিনেতা ঘোষনা করে যে নিজের মেধাকে সে আরো বিশাল এবং উল্লেখযোগ্য কোনো বিষয়ে নিয়োগ করবে । এখন থেকে জনগণের জন্যই তার সমস্ত কলা-কৌশল উৎসর্গিত । যে কোনো সময়ে এবং যে কোনো কারণে জনসাধারণ অনায়াসে তার সাহায্য এবং সহযোগিতা চাইতে পারবে ।
যদিও কথা বলার সময় মুকাভিনেতার শরীর থিরথির করে কাঁপছিল, কিন্তু তখন তার চোখেমুখে আত্বতৃপ্তির উজ্জ্বল আভা ফুটে ওঠে । সেই উজ্জ্বলতা যেন আমেরিকান গাড়ির পেছনের কাঁচের ভেতর দিয়ে দেখা কোনো ঝকঝকে নতুন খেলনা ।
১১.
মুকাভিনেতার কাছে মৃত্যু সম্পর্কে জানতে চাইলে সে পোলারয়েড ক্যামেরায় প্রশ্নকারীদের ছবি তোলার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়ে ।
১২.
বিয়ে সম্পর্কে তার কি ধারনা, তা মুকাভিনেতার কাছে জানতে চাইলে সে খুবই সস্তা এবং ছোট একটা আয়না মুষ্টিভিক্ষার মতো এগিয়ে ধরে, যার পেছনে লেখা ‘মেইড্ ইন তিউনিশিয়া’ ।
১৩.
মুকাভিনেতার সুনাম ক্রমশ ক্ষুন্ন হতে থাকে । জনগণের ধারনা, সে দিনে দিনে দূর্বোধ্য হয়ে যাচ্ছে এবং তার পারঙ্গমতা ক্রমশ অন্ধকারে ঢাকা পড়ে যাচ্ছে । এমনকি সে সাধারণ মানুষের মন-মানসিকতাও ঠিকমতো বুঝে উঠতে পারছে না । ফলে তাকে অতি নগণ্য এবং সহজ প্রশ্ন করা হয় । কিন্তু সে সেসব মামুলি প্রশ্নের জবাব দিয়ে জনগণকে খুশি করার জন্য কোনো উৎসাহ বোধ করে না ।
১৪.
উড়োজাহাজ সম্পর্কে মুকাভিনেতার কাছে জানতে চাইলে সে একটা বিমানে চড়ে শহরের উপর দিয়ে তিনবার চক্কর খায় । তবে অবতরণের সময় সে সামান্য আঘাত পেয়েছে ।
১৫.
নদী সম্পর্কে জানতে চাইলে মুকাভিনেতা নিজেই নদীতে ঝাপ দিয়ে অতলে ডুবে যায় ।
১৬.
এটা খুবই পরিতাপের বিষয় যে, মুকাভিনেতার জীবনের শেষ এবং মূল্যহীন প্রদর্শনীটিই শুধু ফিল্মে ধারন করা হয় ।
নদীর পাড়ে উৎসাহী দর্শকদের ছোটখাটো একটা জটলা । তিরিশ জনের বেশি লোক হবে না । একজন ধোপদুরস্ত বেঁটে লোক ধূসর রংয়ের স্যুট পড়ে শিশুদের সঙ্গে পাশ দিয়ে যাচ্ছিল । শিশুরা তখন তাদের বড় প্লাষ্টিকের খেলনা কুকুর নিয়ে খেলায় মশগুল ।
নদী সম্পর্কে কোনো কথা না বলে মুকাভিনেতা বরং নদীতে নেমে পড়ে । নদীর পাড় বেশ গভীর । কয়েক পলকের জন্য পানির উপর তার মাথা দেখা যায় । তারপর সে টুপ করে তলিয়ে যায় ।
দূর থেকে একজন পুলিশ তাকিয়ে দেখছিল । তার তাকানোর ভাবটা এমন যেন সে ত্বড়িৎ এগিয়ে এসে মুকাভনেতাকে উদ্ধার করবে । তারপর ফিল্ম করা বন্ধ হয়ে যায় ।
মুকাভিনেতার শেষ প্রদর্শনী দেখার পর কেউ ঘূর্ণাক্ষরেও কল্পনা করতে পারবে না যে সে কিরকম অসহায় দৃষ্টিতে উপস্থিত মানুষের দিকে তাকিয়েছিল ।
লেখক পরিচিতি: 
ঔপন্যাসিক এবং গল্পকার পিটার ক্যারী অষ্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়া অঙ্গরাজ্যের ব্যাকাস মার্শ শহরে ১৯৪৩ সালের ৭ মে জন্মগ্রহণ করেন । শৈশবে তিনি স্থানীয় স্কুল এবং পরে জিলং গ্রামার স্কুলে পড়াশুনা করেন । তিনি ১৯৬১ সালে মেলবোর্ণের মোনাশ ইউনিভার্সিটিতে রসায়ন এবং প্রানীবিদ্যা নিয়ে পড়াশুনা শুরু করেন, কিন্তু গাড়ি দূর্ঘটনা এবং নিরুৎসাহের জন্য শেষ পর্যন্ত ডিগ্রী সমাপ্ত করেননি । তবে এ সময়ে তিনি সাহিত্যের উপর প্রচুর পড়াশুনা করেন, বিশেষ করে জেমস্ জয়েস, স্যামুয়ল বেকেট, ফ্রাঞ্জ কাফকা এবং উইলিয়ম ফকনারের লেখা ।
পিটার ক্যারী ১৯৮৮ সালে ‘অস্কার এন্ড লুসিন্ডা’ এবং ২০০১ সালে ‘ট্রু হিস্টরী অফ দ্য কেলী গ্যাং’‌ উপন্যাসের জন্য ‘ম্যানবুকার’ পুরস্কার অর্জণ করেন । এছাড়া ১৯৮৫ সালে ‘ইলিওয়েকার’ এবং ২০১০ সালে ‘প্যারোট এন্ড অলিভিয়্যার ইন আমেরিকা’ উপন্যাসের জন্য ‘ম্যানবুকার’ পুরস্কারের সংক্ষিপ্ত তালিকায় ছিলেন । তিনি ২০০৬ সালে ‘থেপ্টঃ এ লাভ স্টোরী’, ২০০৮ সালে ‘বেষ্ট অফ দ্য বুকার প্রাইজ’ এবং ২০০৭ ও ২০০৯ সালে ‘ম্যানবুকার ইন্টারন্যাশনাল’ পুরস্কারের জন্য মনোনীত হন । তিনি ‘ব্লিস’ (১৯৮১),‘অস্কার এন্ড লুসিন্ডা’ (১৯৮৯) এবং ‘জ্যাক ম্যাগস্’ (১৯৯৮) উপন্যাসের জন্য অষ্ট্রেলিয়ার সম্মানিত সাহিত্য পুরস্কার ‘মাইলস্ ফ্রাঙ্কলিন অ্যাওয়ার্ড’ লাভ করেন । এছাড়া ‘জ্যাক ম্যাগস্’ এবং ‘ট্রু হিস্টরী অফ দ্য কেলী গ্যাং’‌ উপন্যাসের জন্য ‘কমনওয়েলথ্ রাইটার্স’ পুরস্কার অর্জণ করেন । বর্তমানে তিনি নিউ ইয়র্কের হান্টার কলেজের ‘মাষ্টার অফ ফাইন আর্টস্ ইন ক্রিয়েটিভ রাইটিং’ প্রোগ্রামের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর হিসেবে কর্মরত ।
গল্পসূত্র: 
‘বিখ্যাত মুকাভিনেতার জীবনের অন্তিম দিনগুলি’ গল্পটি ১৯৭৯ সালে রচিত পিটার ক্যারীর ‘দ্য লাষ্ট ডে’জ অফ এ ফেমাস মাইম’ গল্পের অনুবাদ । গল্পটি মেরী লর্ড সম্পাদিত ‘দ্য পেঙ্গুইন বেষ্ট অষ্ট্রেলিয়ান শর্ট ষ্টোরিজ’ গল্প সংকলন থেকে নেওয়া হয়েছে ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.