গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেসের গল্প : আলো তো জলের মতো

ভূমিকা : ‘নিঃসঙ্গতার শত বছর’ কিংবা অন্য যেকোনও লেখাই হোক, আমার লেখার প্রতিটি বাক্যের যাত্রাভুমি হচ্ছে নিখাদ বাস্তব- মার্কেসের এই কথাটি সম্ভবত তাঁর পাঠকের মনে তৎক্ষণাৎ গেঁথে যায়, যখনই তারা তাঁর লেখার জগতে প্রবেশ করেন।
সংবাদ প্রতিদিন-এর সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন রোববার-এর মার্কেস সংখ্যায় রবিশংকর বল ‘বাস্তবের কুহক কুহকের বাস্তব’ শিরোনামে যে-মূল্যবান গদ্যটি লেখেন, সেখানেও দেখি এই কথাটির অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক উপস্থিতি; আর, এই কথাটির মর্মে তাঁর পাঠকেরা পৌঁছে যান ‘স্ট্রেঞ্জ পিলগ্রিম্‌স’ সংকলনের সেই বিখ্যাত বারোটি গল্পের পাঠ শেষে, যে-বারোটি গল্পের একটি হচ্ছে ‘আলো তো জলের মতো’ গল্পটি। রবিশংকর বল, এই বই সম্পর্কে লেখেন : ‘১৯৯২-তে প্রকাশিত হয়েছিল মার্কেসের শেষ গল্প সংকলন ‘স্ট্রেঞ্জ পিলগ্রিম্‌স।’ এর আগে তাঁর তিনটি গল্প সংকলন বেরিয়েছিল। কিন্তু ‘স্ট্রেঞ্জ পিলগ্রিম্‌স’-এর চরিত্র আলাদা, এখানে ১২টি গল্প বিষয়গত যোগসূত্রে গ্রন্থিত। গল্পগুলির বিষয় : ইউরোপের বিভিন্ন দেশে লাতিন আমেরিকানদের জীবনে কী ঘটে। গল্পের চরিত্ররা কোনও-না-কোনওভাবে নির্বাসিত। 
…এই ১২টি গল্প ইউরোপের দেশে-দেশে নির্বাসিত লাতিন আমেরিকার মানুষদের হৃদয়ের স্পন্দন, তাদের ঘর খোঁজার আকাঙ্ক্ষার অগ্নিস্ফুলিঙ্গ। 
গল্প বলাটা মার্কেসকে শিখিয়েছিলেন ঠাকুমা। তারপর ফ্রান্‌জ কাফ্‌কা ও আর্নেস্ট হেমিংওয়ে। তাই ‘স্ট্রেঞ্জ পিলগ্রিম্‌স’ শুধু লাতিন আমেরিকার নির্বাসিতদের গল্প নয়, বিশ–সদ্য একুশ শতাব্দীর সারা পৃথিবীর নির্বাসিতদের আর্তনাদ ও আতঙ্কের স্বরলিপি।’ 
‘আলো তো জলের মতো’ গল্পটিতে অবিরল ধারায় আলোর নির্গমনের ব্যাপারটি পড়তে গেলেই আশ্চর্য হতে হয়। গল্পটিতে দেখা যায় জ্বলন্ত বাল্ব ভেঙে ফেললে গলগলিয়ে বের হতে থাকে আলো যেভাবে বাথরুমের ট্যাপ খুললে বের হতে থাকে জলধারা। আলোর বন্যায় পুরো বাড়ি ডুবে যায়; দরজা, জানালা বেয়ে সেই আলো প্লাবিত করে দেয় বাড়ির পাশের বিস্তৃত এভিনিউ, সেই সঙ্গে স্পেনের মাদ্রিদ শহরের একটি বাড়িতে বন্যার আলোয় ডুবে চিরন্তন ছবি হয়ে যায় এলিমেন্টারি ইশকুলের সম্পূর্ণ চতুর্থ শ্রেণিটি… 
‘আলো তো জলের মতো’ মার্কেসের ম্যাজিক্যাল রিয়ালিজম ধারার একটি উল্লেখযোগ্য রচনা, ‘স্ট্রেঞ্জ পিলগ্রিম্‌স’-এর অন্তর্ভুক্ত গল্পটির ইংরেজি অনুবাদক এডিথ গ্রসম্যান। ।
………………………………………………………………………………………………………………………….

ভাষান্তর : এমদাদ রহমান 


ক্রিসমাস আসতে না আসতেই ছেলে দু’টি আবারও নৌকোর জন্য অস্থির হয়ে পড়ল। 
বাবা তাদের বললেন : ‘ঠিক আছে, কার্তাহোনা’য় ফিরে গিয়েই কিনে দেওয়া হবে।’ 
তোতো আর হুইয়েল, যাদের একজনের বয়স নয় বছর আর আরেকজনের সাত, তারা এমন কঠিন জেদ ধরে বসবে তা বাবা-মা ভাবতে পারছিলেন না। তারা সমস্বরে জোর দাবি জানালো, ‘না তা হবে না, আমাদেরকে এখানেই আর এক্ষুনি দিতে হবে।’ 
মা বললেন : ‘কিন্তু এখানে অসুবিধা আছে, এখানে নৌকো চালাবার জল তো কেবল নল খুললেই বের হয়ে আসে।’ 
তারা ঠিকই বলেছিলেন। কার্তাহোনা দে ইনদিয়াসে তাদের বাড়ির টেরেস আছে যেখানে খাঁড়ির সঙ্গে জেটি আর একটি শেড যেখানে দুটো বিশালাকৃতির ইয়াচ রাখা যায়; আর এখানে, মাদ্রিদের এই ৪৭ নাম্বার পাসিও দে লা কাস্তেলানা’র ছ’তলা এপার্টমেন্টটিতে তাদের গাদাগাদি হয়ে থাকতে হচ্ছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দু’জনের কেউই তাদেরকে কিনে দিতে অস্বীকার করলেন না কারণ নৌকো কিনবার ব্যাপারে তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল যাতে সেক্সটান্‌ট আর কম্পাস লাগানো থাকবে যদি তারা ইশকুলের তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষায় পুরস্কার পায়; এবং তারা সেই পুরস্কারও পেয়েছে। আর তাই বাবা তাদের জন্য সেই নৌকো কিনে আনলেন, তাদের মা কিছুই জানলেন না কারণ বাবা’র জুয়া খেলার সমস্ত দেনা পরিশোধ নিয়ে চিন্তিত ছিলেন বলে নৌকো কেনার ব্যাপারে ঘোর আপত্তি ছিল। সম্পূর্ণ অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি নৌকোটির জলরেখায় ছিল সোনালি রঙের চমৎকার ডোরাকাটা দাগ। 
দুপুরের খাওয়ার সময় বাবা তাদের বললেন : ‘নৌকোটা গ্যারাজে রাখা আছে। সমস্যা হলো এটাকে ওপরে তোলার কোনও উপায় নেই, লিফটে করেও তোলা যাবে না, সিঁড়ি দিয়েও বয়ে আনাও অসম্ভব। নৌকোটা সমস্ত গ্যারাজটাকেই দখল করে ফেলেছে। আর একটুও জায়গা খালি নেই।’ 
পরের শনিবার বিকেলে ছেলেরা সহপাঠীদেরকে তাদের বাড়িতে আসতে বলল যাতে তাদের সাহায্যে নৌকোটিকে সিঁড়ি দিয়ে ওপরে নিয়ে আসা যায়; তারা মিলে নৌকোটিকে মালপত্র রাখবার কক্ষটিতে নিয়ে আসতে পারল। 
‘দারুণ কাজ হয়েছে,’ তাদের বাবা বললেন : ‘এরপর কী করবে?’ 
‘তারপর কিছুই নয়,’ বলল ছেলেরা। ‘আমরা চেয়েছিলাম নৌকোটিকে এখানে নিয়ে আসতে, আর এখানেই এটা চলে এসেছে।’ 
বুধবার রাতেও, ঠিক যেভাবে অন্যান্য বুধবারেও তারা গিয়ে থাকেন, তারা বাবা-মা গেলেন ছবি দেখতে; তখন ছেলে দু’টিই ঘরের হর্তাকর্তা, তাদের আর কে আটকাবে! প্রথমে সবগুলো দরোজা, জানালা বন্ধ করা হল; তারপর : বসার ঘরকে আলোয় ভাসিয়ে দেওয়া জ্বলন্ত একটি বাল্বের কাচ ভাঙা হল; সঙ্গে সঙ্গে ভাঙা বাল্ব থেকে ফিনকি দিয়ে একরাশ সোনালি তরল আলো বের হতে শুরু করল। আলোর ধারাস্রোতকে তারা মোটামুটি তিন ফুট পর্যন্ত উচ্চতায় উঠতে দিল; আর তারপর- তারা ঘরের বিদ্যুৎ বন্ধ করে দিল, তারপর বের করে নিয়ে আসলো তারা বাইচের নৌকো, নৌকোটিকে ভাসিয়ে দিয়ে তারা বাড়ির ভেতরের দ্বীপগুলিতে ঘুরে বেড়াতে লাগলো। 
উপকথার মত রোমাঞ্চকর এই অভিযাত্রার পেছনে আমার একটি চপল কথাই সবচে বেশি কাজ করেছে, নানারকম গৃহস্থালি আসবাবপত্রের কাব্য বিষয়ক একটি আলোচনা সভায় আমি অংশ নিয়েছিলাম। তোতো আমাকে প্রশ্ন করেছিল : ‘একটামাত্র সুইচ টিপলেই কেন বাতি জ্বলে ওঠে’, আর আমি তখন এই ব্যাপারটি দ্বিতীয়বার ভাবতেও কোনও কিছু হিসেব করিনি। 
‘আলো হচ্ছে জলের মতো’ তোতোকে বললাম। ‘নলের মুখ খুলে দিলেই বের হতে শুরু করবে।’ 
আর এভাবেই, প্রতি বুধবার রাতে তারা নৌকোটি বাইতে শুরু করল, আর তাদের বাবা-মা ছবি দেখে ফিরে এসে তাদেরকে শুকনো মাটিতে দুটি দেবদূতের শুয়ে থাকবার দৃশ্যটি দেখবার আগমুহূর্ত পর্যন্ত তারা আয়ত্ব করতে শুরু করল ঠিক কীভাবে নৌকোর অবস্থান আর দিকনির্ণয়ের যন্ত্রকে ব্যবহার করতে হয়। কয়েক মাস পর, দ্বীপগুলোয় ঘুরে ঘুরে আরও বহুদূর যাওয়ার ইচ্ছাকে পূর্ণতা দিতে, ছেলে দু’টির আবদার–মুখোশ, ডানা, ট্যাঙ্ক, তিমি শিকারের হারপুনসহ যাবতীয় সরঞ্জাম দিতে হবে। 
বাবা বললেন, ‘দরকারি জিনিসপত্র রাখবার রুমটায় এমনই অদরকারি নৌকো রাখা হয়েছে, কোনও কাজেই লাগছে না, আর এখন সাঁতারের জিনিশ চাচ্ছ।’ 
হুইয়েল বলল, ‘যদি প্রথম টার্মে সোনার গন্ধরাজ প্রাইজটি পেয়ে যাই, তাহলে দেবে?’ 
তাদের মা সন্ত্রস্ত কণ্ঠে বললেন, ‘না, কক্ষনোই নয়; যা পেয়েছ তাই যথেষ্ট।’ 
বাবা তাকে এতটা নিদয়া হতে নিষেধ করলেন। 
মা’কে তখন বলতে হল, ‘আর কানাকড়িও তাদের দেওয়া হবে না যা তারা প্রত্যাশা করছে, কিন্তু তারা যখনই কিছুর আবদার করবে, বুঝতে হবে যে কোনও কিছু জয় করতে তারা সক্ষম।’ 
শেষ পর্যন্ত তাদেরকে তারা হ্যাঁ-ও বললেন না, নাও করলেন না, কিন্তু জুলাই মাসে, তোতো আর হুইয়েল, ইশকুলে গত দুইটি বছর যারা মার্কের দিক থেকে এক্কেবারে নিচের দিকে ছিল, সেই তারাই সোনার গন্ধরাজ পেয়ে গেল, স্বয়ং হেডমাস্টার সকলের সামনে তাদের প্রশংসা করলেন। সেদিন বিকেলেই, কোনও কিছু বলা ছাড়াই, তারা পেয়ে গেল সাঁতারের সাজসরঞ্জামের প্যাকেট। পরের বুধবার, বাবা-মা যখন ‘লাস্ট ট্যাঙ্গো ইন প্যারিস’ দেখছিলেন, তারা তখন এপার্টমেন্টটিকে প্রায় দুই ফ্যাদম গভীরতায় ভরে আসবাবপত্রের ভেতর দিয়ে পোষমানা হাঙরের মতো সাঁতরাতে শুরু করলো, সাঁতরাতে সাঁতরাতে আলোর গভীর থেকে তারা তুলতে শুরু করলো বহু বছর আগে অন্ধকারে হারিয়ে যাওয়া জিনিসপত্র। 
পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে দুই ভাই বিশেষভাবে প্রশংসিত হলো, তাদেরকে দেওয়া হলো শ্রেষ্ঠত্বের সনদপত্র। এবার আর কোনও কিছুর জন্য বায়না ধরতে হল না, বাবা-মা’ই জিজ্ঞেস করলেন এবার তারা কী চায় আর তারাও খুব সুন্দর করে বুঝিয়ে দিলো কী যে চায় : সহপাঠীদের আপ্যায়ন করাতে ঘরে পার্টি করলে ভাল হবে। 
বাবার মুখ দীপ্তিতে উজ্জ্বল হয়ে উঠল। তিনি বললেন, ‘ছেলেরা এটাই বুঝিয়ে দিল যে তারা বড় হচ্ছে।’ পরের বুধবারে বাবা-মা হলে বসে যখন ‘দ্য ব্যাটল অব আলজিয়ার্স’ ছবিটি দেখছেন, ঠিক তখন ৪৭ নাম্বার পাসিও দে লা কাস্তেলানা’র আশপাশের পথচলতি লোকেরা দেখল তীব্র জলপ্রপাতের মতো আলো উছলে ঝরে পড়ছে পুরোনো একটি বাড়ি থেকে, যে-বাড়িটিকে ঢেকে রেখেছে ঝাঁকড়া একটি গাছ। ঝুলবারান্দা পেরিয়ে প্রবল আলোর ঢল বাড়ির সামনে দিয়ে তীব্র বেগে নেমে যাচ্ছে, প্রশস্ত এভিনিউ জুড়ে শুধু সোনালি আলোর বান; ঢলে আলোকোজ্জ্বল হয়ে উঠল গুয়াদারারামা পর্যন্ত বিস্তৃত পুরোটা শহর। 
ইমারজেন্সি ডাকে অগ্নিনির্বাপক দল বাড়িটির ছ’তলার দরোজা ভেঙে ফেলল; তারা দেখল- এপার্টমেন্টটির ছাদ পর্যন্ত আলোর প্লাবন। চিতাবাঘের চামড়ায় মোড়ান সোফা আর হাতলওয়ালা চেয়ারগুলি বসার ঘরের ভেতরে বিভিন্ন উচ্চতায় ভাসছে, বারের মদের বোতলগুলির মতো গ্র্যান্ড পিয়ানো ও পিয়ানোটিকে ঢাকবার ম্যানিলা শালটি সুদৃশ্য সোনালি মানাতা মাছের মতো অর্ধেক ডুবছে আর ভাসছে। বাসনকোসনগুলি, তাদের কাব্যের পরিপূর্ণতায় ডানা মেলে রান্নাঘর পেরিয়ে আকাশে উড়ে গেল। মায়ের একুরিয়াম থেকে ছড়িয়ে পড়া নানারঙের মাছের সঙ্গে উদ্দেশ্যবিহীন ভেসে বেড়াচ্ছে কিছু বাদ্যযন্ত্র যেগুলিকে তারা নাচের সময় ব্যবহার করত; প্লাবিত আলোর ঝলমলে জলাশয়ে সব কিছুর মধ্যে মাছগুলিই ছিল একমাত্র জীবিত এবং উল্লসিত। বাবা’র কনডম, মা’র ক্রিম আর নকল দাঁতগুলি বাথরুমের ভেতর টুথব্রাশগুলির সঙ্গে ভাসছিল, ভাসছিল শোবার ঘরের টেলিভিশন সেটটিও কিন্তু তখনও চলছিল প্রাপ্তবয়স্কদের মিডনাইট মুভির শেষ পর্বটি। 
বারান্দার এক প্রান্তে যেন সমুদ্রের ওপর নৌকো’র পেছনভাগে বসে আছে তোতো, মুখোশটি পরে নিয়েছে আর শক্ত হাতে ধরে আছে বৈঠা, আর যে-বাতিঘরের সন্ধানে সে ভেসে চলেছে, সেখানে পৌঁছানোর বাতাসটুকুই তার বুকে আছে, হুইয়েল তখন নৌকোর গলুইয়ে বসে সেক্সট্যান্ট যন্ত্রে মাপার চেষ্টা করছে ধ্রুবতারার দূরত্ব আর তাদের সঙ্গে ভাসছিল সাইত্রিশ জন সহপাঠী। জাইরেনিয়ামের টবে প্রস্রাব করা, প্রার্থনা সঙ্গীতের শব্দ বদলে হেডমাস্টারকে নিয়ে ব্যঙ্গবিদ্রুপ কিংবা বাবা’র মদের বোতলে চুমুর ঘটনার মতো মুহূর্তেই তারা প্রত্যেকে যেন চিরন্তন এক ছবি হয়ে গেল। একসঙ্গে অনেকগুলি বাতি জ্বালিয়ে দেওয়ায় এপার্টমেন্টটি আলোর প্লাবনে ভেসে যাচ্ছিল আর সেন্ট জুলিয়ান এলিমেন্টারি ইশকুলের চতুর্থ শ্রেণিটি ৪৭ নাম্বার পাসিও দে লা কাস্তেলানা’র ছ’তলা এপার্টমেন্টটিতে সম্পূর্ণ ডুবে গিয়েছিল, স্পেনের মাদ্রিদে; সেই মাদ্রিদ, গ্রীষ্মের উত্তাপ আর হিমেল বাতাস থেকে যে-শহরটি বহুদূরে আর যেখানে সমুদ্র কিংবা নদীও নেই, যে-মাটির বাসিন্দারা কখনও আলোর বুকে নৌকা চালানোর বিদ্যা আয়ত্ব করতে পারেনি। 

অনুবাদক
এমদাদ রহমান
গল্পকার। অনুবাদক।

5 thoughts on “গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেসের গল্প : আলো তো জলের মতো

  • August 14, 2018 at 3:37 am
    Permalink

    এমনসব গল্পের অনুবাদ বারবার হোয়ে চলুক। বলাই বাহুল্য,গল্পপাঠে পাচ্ছিও অনেক। আর ভালোবাসা এমদাদ রহমানকে।

    Reply
  • August 15, 2018 at 12:22 am
    Permalink

    Khub valo anubad. Aro anubad galpo chai.

    Reply
  • August 23, 2018 at 6:23 am
    Permalink

    ভাল লাগল। অনুবাদকের জন্য শুভকামনা।

    Reply
  • August 29, 2018 at 11:19 am
    Permalink

    খুব ভাল লাগল অনুবাদ

    Reply
  • September 14, 2018 at 4:59 pm
    Permalink

    অনুবাদ ভালো লাগে নি। মনে হচ্ছে গুগল ট্রান্সলেটর দিয়ে অনুবাদ জরে কছু দায়সারা এডিট করা হয়েছে। অনুবাদক যেহেতু নিজেও গল্পকার আরও হৃদয়গ্রাহী অনুবাদ আশা করেছিলাম।

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published.

-+=