মৌসুমী কাদের’এর গল্প : প্রতিবেশীর চিঠি

সেদিন রাতে একটু নিরিবিলি পরিবেশে উঁচু ভলিউমে গান শুনছিলাম। যিনি গাইছিলেন, তাঁর কন্ঠস্বর একসময় খুবই আনাড়ি ছিল। হেঁড়ে গলায় গাইতেন। বহু পরিশ্রম করে ঘষে মেজে হঠাৎই খুলে ফেললেন কন্ঠটি। বিখ্যাত হয়ে উঠলেন। তারই গান বাজছিল ইউটিউবে। গমগম করছিল সারা ঘর। কিন্তু আমার এই আনন্দ সইতে পারল না প্রতিবেশী। ঠিক সে রাতের পর থেকেই ঝামেলা শুরু করল। সকালে গোটা গোটা অক্ষরে লেখা একটি চিঠি পেলাম লেটার-বক্সে।

‘প্রিয় প্রতিবেশী,
আমি তোমার সাথে কোন ঝামেলা পাকাতে চাই না, আশা করছি তুমি বুঝবে। তুমি যখন গান শোনো, ভলিউমটা একটু নামিয়ে নিও কারণ গভীর রাতে তোমার ঐ বুম বুম গানের আওয়াজে আমি এবং আমার পরিবার ঘুমোতে পারি না। গতকাল রাত দুটো থেকে সকাল পর্যন্ত সেই একই আওয়াজ…বুম বুম.. বুম বুম…। আশা করছি বিষয়টা নিয়ে তুমি ভাববে।’
লেখাটা পড়ে মেজাজ চড়ে গেল। নিজের বাড়িতে ভলিউম বাড়িয়ে গান শোনার স্বাধীনতাও থাকবে না! এও হতে পারে? কিছুটা উত্তেজিত হয়েই  তাঁর চিঠির জবাব দিলাম…
‘ভাই ব্লাংকো,
অনেক ধন্যবাদ তোমার কষ্ট আমাকে জানাবার জন্য। আমি প্রায়ই মধ্যরাত পর্যন্ত গান শুনি। এতে তোমার ঘুম নষ্ট হয়ে থাকলে আমি সত্যিই দুঃক্ষিত। কিন্তু তোমাকে বুঝতে হবে, সারাটা দিন কাটে আমার কোম্পানীর একঘেয়ে কাজ করে। সন্ধ্যা নামলেই কেবল একটু গান শোনার সুযোগ হয়। আর তুমি কিনা সেই সময়টাতেই কার্ফিউ জারি করতে চাও? আচ্ছা ঠিক আছে, আমি চেষ্টা করব ভলিউমটা নামিয়ে দিতে। কিন্তু এটাও তোমাকে জানিয়ে রাখি যে, খুব শীঘ্রি আমার বাড়িতে সংস্কারের কাজ শুরু হবে। আশা করছি তখন আবার ‘বুম বুম শব্দ হচ্ছে’  এই বলে  অভিযোগ তুলবে না। আর এটাও জানিয়ে রাখি যে, তোমার বাড়ির পেছনের উঠোন থেকে প্রায়ই গাঁজার গন্ধ আমার বাগানে উড়ে আসে। সেকি বিচ্ছিরী গন্ধ! কোরমা বা রেজালার ঘ্রাণও হার মানবে তার কাছে । আশা করছি বিষয়টি নিয়ে তুমি একটু ভাববে।’
চিঠির জবাবে পরের দিন আবার আরেকটি চিঠি এলো। 
তিনি লিখেছেন,
‘প্রিয় প্রতিবেশী,
চিঠির জবাবের জন্য ধন্যবাদ। এখন পর্যন্ত আমরা পরষ্পরের ভাল প্রতিবেশী এবং আশা করছি এসব খুঁটিনাটি বিষয়গুলো আমাদের সম্পর্কে ঘুন ধরাবে না। আর গাঁজা প্রসঙ্গে বলছি, ‘আমি সিগ্‌রেট বা গাঁজা এসব কিচ্ছু খাই না,…’ফুলস্টপ (.)।’.. আবারও বলছি, ‘আমি গাঁজা খাই না… ’ফুলস্টপ (.)। আমি চেষ্টা করি কাউকে বিরক্ত না করতে। গানের শব্দ কমিয়ে দেবার জন্য অনেক ধন্যবাদ। আশা করছি কোনরকম তিক্ত অভিজ্ঞতা ছাড়াই আমরা ভাল প্রতিবেশী হিসেবে পাশাপাশি থাকতে পারব। তোমার বাড়ি সংস্কারের বিষয়টিও আমি নোট করে রাখলাম। যে কোন সময় তুমি আমাকে তোমার অসুবিধাগুলো জানাতে পারো। তবে আমার কোন ফোন নেই। শুধুমাত্র টেক্সট মেসেজ পাওয়ার জন্য একটা নম্বর আছে। কাজেই চিঠির মাধ্যমেই কথাবার্তা চালানো যেতে পারে। অনেক ধন্যবাদ তোমাকে। নিরাপদে থেকো।’
বাড়িটা কেনার আগে আমার স্ত্রী বারবার বলেছিল আশেপাশের লোকজনের সাথে একটু কথাবার্তা বলে জেনে নাও এলাকাটা কেমন। কিন্ত বাড়িটা এমনই পছন্দ হয়ে গেল যে কোনদিকে না তাকিয়ে সোজা অফার দিয়ে বসলাম। এমনকি অনলাইনে যে জরীপগুলো থাকে সেগুলো পর্যন্ত পড়া হয়নি। অথচ বাড়িতে উঠার পর জানা গেল একটু নিরিবিলি এলাকা বলে অপরাধ জগতের লোকেরা এই এলাকাতেই বেশী বাস করে। আর তাছাড়া লাইব্রেরীর পাশেই কয়েকটা সরকারী আর কো অপারেটিভ এপার্টমেন্ট আছে। ঐ জায়গাগুলোতে মাদক ব্যাবসা সহ নানারকম অপরাধ লেগেই থাকে। ভুল যা হবার তাতো হয়েই গেছে। তাই সেসব নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে নিজেদের মতন থাকার চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু পাশের বাড়ির এই উপদ্রব একেবারেই সহ্য হচ্ছিল না।
চিঠি চালাচালি শুরু হবার পর একদিন হঠাৎই বাড়ির ইন্টারনেটের নেটওয়ার্কে ঝামেলা শুরু হল। একতলায় ওয়াইফাই থাকেতো তিনতলায় নেই। তিনতলায় থাকেতো এক তলায় নেই। আমার স্ত্রী এবং দুই ছেলেমেয়ে তাঁদের ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, আইপ্যাড সবকিছুর পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করল। স্ত্রী এসে বলল, স্মার্ট-টিভিতে ঝিঁ-ঝিঁ পোকা ঝা ঝা করছে। ইন্টারনেট পরিষেবা সরবরাহকারী তদন্ত করে জানাল যে আমাদের রাউটার নিয়ন্ত্রণ করছে আরও উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কিছু যন্ত্র। কে বা কারা এটি করছে সেটি খুঁজে বের করতে তাঁদের একটু সময় লাগবে। এদিকে আমার কোম্পানীর বার্ষিক রিপোর্টের কাজ চলছে। প্রায় পঞ্চাশ হাজার ক্লায়েন্টের তথ্য আমার ল্যাপটপে। পারিবারিক বা কোম্পানীর তথ্যের গোপনীয়তা বজায় রাখাটা খুবই জরুরী। মনে মনে ভাবছিলাম, কেউ কি শত্রুতা করে এক কাজটি করল? কিন্তু কে করবে এ কাজ ভেবে পাচ্ছিলাম না। আর ঐ মুহূর্তে কিছু করারও ছিল না। সাময়িক ভাবে পুরো বাড়ির নেটওয়ার্কটিকেই নিষ্ক্রিয় করা হলো। এই পরিস্থিতিতে আমার গান শোনা প্রায় পুরোপুরিই বন্ধ। স্ত্রী এবং সন্তানেরা ইন্টারনেট সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়ে বেশীদিন টিকতে না পেরে আরেক শহরে এক আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে চলে গেল। আমি একা একজন মানুষ, নিঃশ্বাস পতন, এবং টেবিল ঘড়ির টিকটিক শব্দ ছাড়া পুরো বাড়িটাই ভূতুরে হয়ে উঠল।
আমার বাড়ির সামনে বেশ কিছু গাছ আছে। সেগুলোকে মাঝে মাঝে প্রকৃতি থেকে ছাঁটাই করে বাদ দিতে হয়। নইলে পাখিরা পেটের ভেতর বাসা বানিয়ে ঢিং ঢিং করে পাশের বাড়ির বেড়া ডিঙিয়ে বেড়াতে চলে যায়। মইয়ের উপর দাঁড়িয়ে সেদিন অনেক লম্বা হয়ে ওঠা ক্রিস্টমাস ট্রিগুলোকে ছেঁটে দিচ্ছিলাম।  প্রতিবেশী আমার চেষ্টা দেখে সাহায্যের প্রস্তাব দিল। লোকটাকে আমার ঘোলাটে আর অপরিষ্কার লাগে।আমি তার সহায়তা গ্রহণ করিনি। তবে তার সীমানার দিকে যতটা গাছ গড়িয়ে ছিল তার সবটাই ছেঁটে দিয়েছি। এভাবে  বেশ কয়েকদিন আমার একা একা নিঃস্তব্ধতায় কাটল।
তারপর একদিন বহু অপেক্ষার পর ইন্টারনেটের দেখা মিলল। সেদিন বিকেলে এবং সন্ধ্যার দিকে বজ্রপাতের সতর্কতা সহ একটি বিশেষ বিবৃতি দিয়েছিল আবহাওয়া নেটওয়ার্ক । কিন্তু রাত ন’টার দিকে জানালা খুলে দেখি বৃষ্টি নেই। কিন্তু তখনও রাস্তায় গাড়ি চলাচল করছিল। হঠাৎ দেখলাম, ক্রিস্টমাস ট্রির পাশ দিয়ে একটা দূর্দান্ত স্ট্রবেরি রঙা চাঁদ আকাশে ঝুলছে। ফাঁকা বাড়ির বিষাদ দেওয়ালগুলো সেই মুহূর্তে একাকিত্বকে আরো বেশীই জমিয়ে তুলছিল। জানালাটা হালকা খোলা রেখেই কম্পিউটারে গান ছেড়ে দিয়ে ইজি চেয়ারে শুয়ে ছিলাম…
গান বাজছে…
‘এই তো হেথায় কুঞ্জ ছায়ায় স্বপ্ন মধুর মোহে,
এই জীবনে যে কটি দিন পাবো,
তোমায় আমায় হেসে খেলে কাটিয়ে যাবো দোঁহে,
স্বপ্ন মধুর মোহে…’
গান শুনতে শুনতে দুপেগ রেডওয়াইন আর কয়েক টুকরো পনীর মুখে দিলাম। মনে হলো সময়টা কাঁপছে। চোখের নিচে ঘুম ঝুলছিল। হঠাৎ টের পেলাম সময় নয়, পাশের লম্বা দেওয়ালটা ঝুম ঝুম করে কাঁপছে। মাঝে মাঝে আবার সেটা ঢেউয়ের মতন দুলছেও। আর পাশের বাড়ির ওপাশ থেকে কে যেন ধুম ধুম করে পেটাচ্ছে।
খুব অবাক হলাম। দুদিন আগেই না ভদ্রলোক ৯১১ কল করে হাসপাতালে গেছেন। খুব সম্ভবত হার্ট এট্যাক করেছে। তাহলে ঐ শব্দ কোথা থেকে এলো? ঘুম ছুটে গেল আমার। সেই গভীর রাতেই তিনতলা থেকে নিচে নেমে প্রতিবেশীর বাড়ির মূল দরজায় হালকা ধাক্কা দিলাম। দরজায় তালা দেয়া ছিল না। হাতল ধরে মোচর দিতেই খুলে গেল। মনে হল বাড়িতে কেউ নেই। ছেলেটা বাবার সাথে হাসপাতালে। ধীরে ধীরে সিড়ি বেয়ে উপরে উঠে ওর শোবার ঘরে ঢুকেতো আমি হতবাক! ঘরের জিনিসপত্র এখানে ওখানে ছড়ানো ছিটানো। পুরো ঘরটা জুড়ে গাঁজার গন্ধ। সবচেয়ে ভয়ংকর লাগল যখন দেখলাম, কব্জি থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া একটা হাত মুঠো অবস্থায় আমার বাড়ির শোবার ঘরের দেয়াল বরাবর পিটাচ্ছে। খুব সম্ভবত এই দেয়ালের ছিদ্র গলেই গান শোনা যায়। হাত থেকে কোন রক্ত গড়িয়ে পড়ছে না। আবার হাতটাকে দেখে রাবার বা প্লাস্টিকের বলেও মনে হচ্ছে না। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো ওটা নিজে নিজে নড়ছে কীভাবে? ডান দিকে তাকিয়ে দেখি, বিছানায় ঘুমিয়ে আছেন একজন বয়স্ক নারী। সেকি সত্যি সত্যিই কোন নারী? নাকি প্রতিবিম্ব বলে আমি ভুল করছি? ওকেতো গত একবছরে কোনদিন দরজার সামনে, বারান্দায়, সামনের বা পেছনের উঠোনে কোথাও কখনও দেখিনি? এই নারী তাহলে এতদিন কোথায় ছিল? ভয়ে আমার হাত পা ঝিমঝিম করছিল। কোনরকমে হন্তদন্ত করে তরতর করে সিঁড়ি বেয়ে নিচে নেমে এলাম। নিজের দরজার কাছে এসে কি মনে করে যেন চিঠির বাক্সটা খুললাম। দেখি আবার সেই কাঁচা হাতে লেখা চিঠি।
‘প্রিয় প্রতিবেশী,
এরা আমায় হাসপাতালে বেঁধে রেখেছে বলে কি তুমি মনে করেছ আমি তোমার গান শুনতে পাই না? হার্ট এ্যাটাক করেছে, বুঝলে? আরে, আমারতো হার্টই নেই। এরা রোগ খুঁজে পাবে কি করে? হা হা হা হা … মাথার ভেতর গাঁজার ধূর্ততাগুলো কিরকির করে বুঝলে? তাই মাঝে মাঝে একটু হাসপাতালে আসতে হয়। কাল রাতে তুমি যে গানটা শুনছিলে…হুম হু হু হু হুম হু হু… মনে করেছো ঐ ধুম ধুম গানের আওয়াজটা আমি শুনতে পাইনি? ওহে বোকা চাকুরে, তোমার জন্য আমার কব্জি থেকে পুরো ডান হাতটাই বাড়িতে রেখে এসেছি। সে আমার স্ত্রীকে দেখাগুনা করছে। শোনো, আর একবার শব্দ করেছ তো ঐ হাত তোমার পুরো বাড়ি তছনছ করে দিয়ে আসবে । সুতরাং সাবধান!! ……
সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি আমি চেয়ারেই ঘুমিয়ে ছিলাম। দেয়ালের জায়গায় দেয়াল দাঁড়িয়ে। টেবিলের উপর সাদা একটা খাম। তাতে এনব্রিজ গ্যাসের বিল। কোথাও কিচ্ছু ঘটেনি। চারদিক সব চুপচাপ। একটু পায়চারী করার জন্য বাইরে বেরুলাম। পাশের বাড়ির পরের বাড়িটার কাছে গিয়ে দেখতে পেলাম, একজন পশু চিকিৎসক কুকুরের মালিক মিস্টার সন্ডার্সকে বলছে যেন তারা কুকুরটিকে মানুষের খাবার না খাওয়ায়। চিকিৎসকের কথা শুনে কুকুর মালিক খুবই দ্বিধায় পড়ে গেল কারণ তারা এ পর্যন্ত কোনদিনই ল্যাবরেডর কুকুরটিকে মানুষের খাবার খেতে দেয়নি। পশুচিকিৎসক তাদেরকে সতর্ক করে বলতে থাকল যে প্রতিবেশীদের কেউ হয়ত কুকুরটিকে অন্য খাবার খাইয়েছে। ওঁর অসুখটা হয়েছে মানুষের খাবার থেকে। তারপর পশুচিকিৎসক বাগানে রাখা জলের পাত্রটা ভাল করে পরীক্ষা করে বলল যে পাশের বাড়ির বেড়া দিয়ে এই পাত্রে জল ঢালা হয়েছে এবং তাতে রক্ত মেশান রয়েছে।
মিস্টার সন্ডারস তখন উত্তেজিত হয়ে পশুচিকিৎসককে বলতে থাকে যে তাঁর প্রতিবেশী ব্লাংকো প্রায়ই ফোন করে তার কুকুরকে নিয়ে পুলিশকে নালিশ করে। কুকুরের ঘেউ ঘেউ শব্দে নাকি তার ঘুম হয় না। অথচ কুকুরটি খুবই ভদ্র, বন্ধুসুলভ ও স্পর্শকাতর। পারিবারিক পরিবেশে বড় হওয়া। সে তাঁর সন্তানের মতন। তাকে নিয়ে যা তা কথা সহ্য করা যায়?
আমি ওঁদের কথাবার্তা শুনে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলি। মনে মনে বলি ‘টেক ইট ইজি ম্যান’।
সকালের বাতাসটা খুব সতেজ। 
তারপর ধীরে ধীরে শ্বাস নিতে নিতে দক্ষিণ দিকের রাস্তা বরাবর হাঁটতে থাকি।
——–
 
লেখক পরিচিতিঃ 
মৌসুমী কাদের
কথাসাহিত্যিক। অনুবাদক
কানাডায় থাকেন।

6 thoughts on “মৌসুমী কাদের’এর গল্প : প্রতিবেশীর চিঠি

  • May 23, 2021 at 4:54 pm
    Permalink

    এই মন্তব্যটি লেখক দ্বারা সরানো হয়েছে।

    Reply
  • May 23, 2021 at 4:55 pm
    Permalink

    অন্যরকম ভয়ের গল্প। বেশ এঞ্জয় করলাম।

    Reply
  • May 25, 2021 at 6:18 am
    Permalink

    প্রতিবেশির সঙ্গে টক ঝাল মিষ্টি সম্পর্ক দিয়ে শুরু হয়ে একটু গা ছমছম ভাব। ভাল লাগল।

    Reply
  • May 25, 2021 at 6:19 am
    Permalink

    প্রতিবেশির সঙ্গে টক ঝাল মিষ্টি সম্পর্ক দিয়ে শুরু হয়ে একটু গা ছমছম ভাব। ভাল লাগল।

    Reply
  • May 31, 2021 at 12:57 am
    Permalink

    ভাল লাগল গল্পটা। গল্পটা এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে একটা ছমছমে, ভৌতিক পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

    Reply
  • July 17, 2021 at 6:47 pm
    Permalink

    bahh, besh bhalo. rate porchi, bhoy o hocche !

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published.

-+=