কুলদা রায়ের ধারাবাহিক উপন্যাস : কাননবালার শেষ মুজরো অথবা পিপ্পলকুমারী বালা –পর্ব ৩

পর্ব ৩
মেয়েটি এসেছে নিলুফা গ্রাম থেকে। পরণে ডুরে শাড়ি। অনেকটা পথ হেঁটে এসেছে। ঘেমে গেছে। জনে জনে জিজ্ঞেস করেও বাড়িটা হদিস পাচ্ছে না সে। নাম শুনেই লোকে ভ্রু কুঁচকে তাকায়। বলে শুনেছি বটে, সেতো বহুদিন আগের লোক। কেউ কেউ বলে, বাপ চাচারা তার কথা স্পষ্ট করে বলতে পারবে। বাপ চাচাদের কেউ কেউ বলে, এ লোক তো চরিত্রহীন– লুইচ্চা। বিদেশী নারীর লগে আকাম কুকাম কইরা ধরা পড়ছিল।
আবার কেউ কেউ বলে, শুধু নারীরে রেইপ করেই ছাড়ে নাই। তারে গুম করে ফেলছে। কেউ কেউ নারীটির নাম বলতে পারে না। কেউ কেউ বলতে পারে তার পরিচয়। বলতে পারে, সিনেমার নায়িকা। একজন মেদো মাতাল আধ বুড়ো হু হু করে কেঁদেও উঠল। ঠিক কান্না নয়। গেয়ে উঠল–
তুফান মেল, তুফান মেল যায়
তেপান্তরের মাঠ পেরিয়ে…..
ভুলে গেছে বলে পুরোটা গাইতে পারলো না। ছুটে গেল হরে কেষ্ট সাহার ভাটিখানায়। সেখানে ভুলে যাওয়া সব গান পাওয়া যায়। সেই গান গেয়ে নিরিবিলি কান্না করা যায়। কেউ ঝামেলা করে না।
তবে শহরের প্রবীণ মুচি অমৃতলাল তাকে গলা খাটো করে বলে, মা জননী, সত্যি মিথ্যা জানি না, তবে বিধুবাবু আর যাই হোক তার নারী নির্যাতন করার মানুষ নয়। তিনি বেশ চেষ্টা করেছিলেন তার এই অভিযোগ থেকে মুক্তি পেতে। চেষ্টা করেছিলেন, অন্তত যাত্রাপালা করার অনুমতি আদায় করতে। তিনি পারেননি। আয় না থাকায় তার সহায় সম্পদ সব শেষ হয়ে যায়। ভাই ব্রাদাররাও পৃথক হয়ে যায়। এমন কি তারা গোপনে বাড়ি ছেড়ে চলে যায়। ১৯৬৫ সালে বাড়িটি শত্রু সম্পত্তি হিসেবে ঘোষণা করে সরকার। কিন্তু কী এক অজানা কারণে অন্য শত্রু সম্পত্তি মানুষে দখল নিলেও এই বাড়িটি কিন্তু কেউ দখল করেনি। সেভাবে থাকতে থাকতে পরিত্যাক্ত হয়ে পড়ে আছে। বাড়িঘর সব ভেঙ্গেচুরে মাটিতে মিশে গেছে। পড়ে আছে শুধু ঝোঁপ জঙ্গল। ইতিউতি সাপ আর শিয়াল উঁকি দেয়। আর কিছু দেখা যায় না।
–তবে একটা কথা। বলে থামে অমৃত মুচি।
–কী কথা? মেয়েটি কৌতুহলী হয়।
অমৃত মুচির এ সময়ে কিছুটা জল তেষ্টা পায়। আজ তার গঞ্জিকা টানা বেশি হয়ে গেছে। টানা বেশি হয়ে গেলে তার গলা শুকিয়ে আসে। জল খেলে ঘুম পায়। ঘুমে ঢলে পড়তে ইচ্ছে হয়। কিন্তু এখন চোখ খোলা রাখতে হবে। নইলে মেয়েটির সঙ্গে কথা বলা যাবে না। অমৃত মুচি জল তেষ্টা নিয়ে বলল, কথা হলো, তুমি ঐ পোড়ো বাড়িতে বিধুবাবুরে পাইতে পারো। আবার নাও পাইতে পারো। গলা খাটো করে বলে, কেউ কেউ বলে বিধুবাবু নাই।
চৌষট্টির দাঙ্গায় দেশ ছেড়ে চলে গেছে। আবার কেউ কেউ বলে তিনি ফিনিশ। কোনটা যে ঠিক কেউ বলতে পারে না। তবে পুলিশের খাতায় আছে। তাদের অজানা কিছু নাই।
বলে অমৃত মুচি মাটির উপরে যাওয়া ম্যাপ এঁকে দেন। তারপর গুণ গুণ করে সুর ধরেন, 
কে কথা কয় রে দেখা দেয় না
নড়ে চড়ে হাতের কাছে
খুঁজলে জনমভর মেলে না।
আবার সেলাই কাজে মন দেয়। মাথা নিচু রেখেই নিজেকে শোনানোর মতো বলে, খুঁজতে জানলে খোঁজ পাওয়া যায়। তাতে মন থাকা লাগে।
আগে কলেজ রোড। তারপর পদ্ম পুকুর। ডানে পোস্টাফিস। পুব দিকে উদয় সঙ্ঘ। সেটা পার হলে বটতলা। এর বাঁদিকে এইখানে একটা ভিটা বাড়ি থাকার কথা। কিন্তু বাড়িটা নেই। ফাঁকা মাঠ। ঠিক তখনি অমৃত মুচি মাথার মধ্যে কথা কয়ে ওঠে, বলে বাড়িটা আছে। চোখ মেলে দ্যাখ।
আর তখুনি মনে হলো, না ঠিক মাঠটি ফাঁকা নয়। একটি ভিটা বাড়ি আছে। সে বাড়ির সামনে এসে দাঁড়িয়েছে মেয়েটি।
দাঁড়িয়ে থেকেও কোনো ফয়দা হয় না। এই ঝোঁপ জঙ্গলের মধ্যে কেউ বাস করে কিনা যথেষ্ট সন্দেহ আছে। অনেক সময় দাঁড়িয়ে থেকে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল। তার আসাটাই বৃথা মনে হলো।
সে ফিরে যাবে কিনা এটা নিয়ে সে যখন দোনামোনা করছে ঠিক তখনই মনে হলো কে একজন মধ্য বয়স্ক বউ ঝোঁপ জঙ্গল ভেদ করে তার সামনে এসে দাঁড়ালো। হাতে হলুদ মাখা। রান্না করতে করতে উঠে এসেছে। বলল, কারে চাও গো মাইয়া।
মেয়েটি কী জবাব দেবে বুঝতে পারছে না। কিছুক্ষণ চুপ থেকে জবাব দিল, বিধু বাবু, বিধু বাবুরে।
— কোন বাবু? একটা অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল বউটি।
— বিধুবাবু। আমার আব্বায় তার দলে ক্লারিওনেট বাজাইত।
শুনে মধ্য বয়স্ক বউটির মুখ ঘুরিয়ে ফেলে। সেখানে একটি ঘর থাকতে পারে। ঘরের পিছন দিকটা হাত তুলে দেখিয়ে বলে, যাইয়া দেখো। ঐখানে তোমাগো বিধুবাবু থাকলেও থাকতে পারে। সোমত্ত মাইয়া তুমি, সাবধানে যাইও। দিনকাল ভালো না।
পিছন দিকটায় কোনো ঘর নেই। আছে একটা তক্তপোষ। বহু পুরনো। দূর থেকেই বোঝা যায়, তার রঙ চটে গেছে। আর তার উপরে একটা বরই গাছে ডাল। ডাল থেকে ঝুলে পড়েছে স্বর্ণলতার গোছা। এর মধ্যে বিধুবাবু কই?
টিপি টিপি পায়ে তক্তপোষের কাছে এসে দেখল বিধুবাবু নেই। তক্তপোষের উপর শুকনো লতা পাতার স্তুপ জড়ো হয়ে আছে। সেটা সরিয়ে কোনো লাভ নেই। তাই সে মরিয়া হয়ে বিধুবাবুর নাম ধরে কয়েকবার ডাকল। ডাকতে ডাকতে যখন তার গলা ধরে এলো তখনই একটা কাঠবেড়ালি সড় সড় করে গাছ থেকে নেমে এলো। তক্তপোষের শুকনো পাতার স্তুপের ভেতরে লেজ তুলে ঢুকে পড়ল। আর মাথার দিকটায় মুখ বের করে তার দিকে পিট পিট করে তাকাতে লাগল। সেটা দেখে মেয়েটি হুশ করে উঠল কেনো জানি। তাতে কাঠ বেড়ালিটি পাতার স্তুপ থেকে ঝাপ দিয়ে গাছের উপরে উঠে গেল। আর তক্ষুণি দেখা গেল একটি মুখ। ঠিক মুখ নয়। মুখাকৃতির মতো কিছু। একটু ভালো করে লক্ষ্য করে দেখল, মুখাকৃতিও নয়। চোখের আকারই হবে। সে চোখ পলকহীন। কাছে যেতেই সেই চোখও হাওয়া হয়ে গেল।
ভয় পেয়ে মেয়েটি অমৃত মুচির কাছে ফিরে এলো।
অমৃত মুচি যেন তারই অপেক্ষায় ছিল। তাকে দেখে বলল, কী হইছে মা জননী? খুইজা পাও নাই বিধুবাবুর বাড়ির ভিটা?
মুখে কোনো কথা ফুটল না। মেয়েটির। শুধু মাথা নেড়ে বোঝালো, হ্যাঁ, বাড়ির ভিটা পেয়েছে।
— তাইলে?
— বিধুবাবুরে পাই নাই।
— ভালো কইরা খুঁইজা দেখছো?
— খুঁজছি। কিন্তু তিনি নাই।
— আর কাউরে পাও নাই?
— পাইছি। মুখে হলুদ লাগা। আর হাতে মাছ রান্ধনের খুন্তি। ফির‍্যা দেখি তিনিও নাই। বিধুবাবুও নাই। ঘরও নাই।
শুনে খুশি হলো অমৃত মুচি। গুণ গুণ করে গেয়ে উঠল,
খুঁজি তারে আসমান জমিন
আমারে চিনি না আমি,
এ বিষম ভ্রমের ভ্রমি
আমি কোন্‌ জন, সে কোন্‌ জনা।।
গান শেষ করে বলল, এই তো তুমি পয়া মাইয়া। ইনি ও বাড়ির বেটার বৌ। সবাই তার দেখা পায় না। তুমি পাইছ। আরেকটু সন্ধান করো। বিধু বাবুরেও পাইবা।
বলে অমৃত মুচি হাওয়ার উপরে আঙুল দিয়ে আঁকি বুকি করেন। আর ফুল্লরা মেয়েটি অবাক হয়ে দেখে, শূন্যের উপরে একটি ইটের বাড়ি। লাল লাল ইট। তার দোতলাটিও দেখা যায়। সামনে বড় উঠোন। তার সামনে মন্দির। আর বিল্ডিং -এর পিছনে ছোটো উঠোন। তার শেষে পাকঘর। ডানদিকে গোয়াল ঘর। আর বাঁদিকে কলতলা। কলতলার জল একটা নালার মধ্য দিয়ে পুকুরে নেমে গেছে। পুকুর পাড়ে দুটো হিজল গাছ নত হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। জলে তাদের ছায়া পড়েছে। মৃদু হাওয়ায় সে ছায়াগুলো ভেঙ্গে গেছে।
ফুল্লরা শুধায়, কী আচানক। এইটাই বিধুবাবুর বাড়ি?
অমৃত মুচি একটু গম্ভীর হয়। বলে, হইতে পারে। আবার নাও হইতে পারে। মনে করো তোমার মায়ে নাম রাখছে ফুল্লরা। তাই তুমি ফুল্লরা। আর তোমার বাপে রাখছে গোলাপ বালা। তাই তুমি বাপের কাছে গোলাপ বালা। ফুল্লরা নও।
একটু দম নিয়ে বলে, সবই বাজিকরের খেলা মা জননী। তুমি যদি বাড়িটিকে হরমুজ মোল্লার মনে করো তবে সেইটা হরমুজ মোল্লার বাড়ি। আর যদি ধইরা নাও, ওটা বিধুবাবুর বাড়ি, তাইলে বিধুবাবুর বাড়িই হবে। তুমি তারে খুঁজলে ঠিকই খুঁইজা পাইবা।
বাড়িটি এখন হাওয়ার উপরে ভাসছে।
অমৃত মুচি মেয়েকে হেসে অভয় দেন। চোখের ইশারায় বলে, যাও। যাও। দোনামোনা কইরো না।
মেয়েটি মাথা নাড়ে। হাওয়া থেকে আঁকা বাড়িটিকে একটা কাগজের মতো ভাঁজ করে অমৃত মুচি তার হাতে দিল।
মেয়েটি আবার সেই ভিটার সামনে আসে। এসে দেখে, দুপুর গড়িয়ে পড়ছে। একটা চালতে গাছের ডালে ঘুঘু পাখি ঘুমোচ্ছে। তাকে দেখে তার আলস্যের ঘুম কাটলো। বলে উঠ, ঘু ঘু।
মেয়ে তো অবাক। যে বাড়িটিতে সে কিছু আগে এসেছিল, সে বাড়িটি নেই। কোনো কালে ছিল বলে মনেই হয় না। যেখানে ঘর থাকতে পারে বলে মনে হয়েছিল সেখানে কটি শীল কড়ুই ঘন হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তার সব জঙ্গল।
মাথার উপরে ঘুঘু পাখি বলে ওঠে, এই বাড়ি। ঠিক বাড়ি।
একটু সন্দেহ করে অমৃত মুচির সেই নকসাটি বের করে। হাওয়ার উপরে মেলে ধরে। সেটাকে দেখতে দেখতে মনে হলো, এই নক্সা থেকে বেরিয়ে এসে ভিটে বাড়ির উপরে ঘরগুলো দাঁড়িয়ে গেল।
বড়ো দরজা খুলে গেল। সেখান থেকে বেরিয়ে এলো আরেকজন মধ্যে বয়স্কা বৌ। হাতে তার আধ বোনা উলের জামা। ক্রুশ কাটা দিয়ে বুনতে বুনতে শুধাল,! কারে চাও মেয়ে?
ঘুঘু পাখি বলে উঠল, বিধু বাবু। বাবু বিধু।
শুনে বৌটি ঘরের মধ্যে দব করে চলে গেল। হাট করে বন্ধ করল দরোজা।
কিছুক্ষণ থম ধরে দাঁড়িয়ে রইল মেয়ে। কী করবে ভেবে পেলো না। ঘুঘু পাখিটি তখন গাছ থেকে নেমে পড়ল। তার তার হাতে এসে বসল। চোখের দিকে কয়েকবার পলক ফেলে উড়াল দিল বাড়ির পিছনে। কিছু দূর উড়ে যায় আবার ফিরে এসে ঠোঁট দিয়ে মেয়েটার জামা ধরে টান দেয়। সে তখন তার পিছনে পিছনে ছোটে। বাড়ির পিছনে সেই গাছটার কাছে আসে। অবাক হয়ে দেখতে পেলো গাছটার গা ঘেষে একটি দহলিজখানা খাড়া আছে। ঘুঘু পাখি এবার তার চালে গিয়ে বসে।
দহলিজখানার ভেতরে সেই তক্তপোষটি আছে। কোনো মানুষ নেই। ভালো করে তাকিয়ে দেখতে পেলো সেখানে মানুষের দাগ লেগে আছে। সে দাগ দেখে মনে হয় এখানে দীর্ঘদিন কোনো মানুষ শুয়েছে। তার ঘাম ঝরে ঝরে এই দাগের সৃষ্টি হয়েছে।
দাগের খুব কাছে গিয়ে দেখতে পেলো সেখানে আবছা এক
বুড়ো মানুষের মুখ। সেই মুখ ভাবলেশহীন। কিন্তু দুই চোখ বন্ধ। সে ডেকে উঠল, বিধুবাবু।
তাতে চোখ দুটি খুলে গেল। পলক পড়ল। লোকটি মৃত নয়। জীবিত। এই লোকই বিধুবাবুই হবেন।
খুশি হয়ে মেয়েটি বড়বড় করে পরিচয় দেয়। আমার বাজান করম ফকির। আমার নাম ফুল্লরা।
বিধুবাবুর নড়ন চড়ন নট। তিনি চক্ষু মুঞ্জে আছেন। কখনো খোলে চোখ দুটো। হঠাৎ খুলে গিয়েছিলে বলে সে দেখেছিল, এখন মনে হলো সেটা ভুল দেখেছে। সেটা আসলে পাতার স্তুপ। ঝর ঝর এক পশলা হাওয়া এসে পাতাগুলো সব উড়িয়ে নিয়ে গেল। ঘরের বাইরে। একটু দূরে। কেউ কোথাও নেই। শুন্য তক্তপোষ পড়ে আছে। দেখে তার ছম ছম করতে লাগল।
কানে এলো মাছির ভনভন শব্দ। এই মাছিগুলো এখানেই ছিল। এভাবেই ছিল। সেটা চোখে পড়েনি। এবং আরেকটু খেয়াল করতেই মনে হলো সে নাকে একটা গন্ধ পাচ্ছে। সেটা কীসের গন্ধ তা বোঝার আগেই ফুল্লরা ছুট লাগালো।
শুনে অমৃত মুচি একটু হাসল। হাতের ছেনিটা রেখে বলল, কী হইছে জননী?
ফুল্লরা বলল, বিধুবাবু কই? ওইখানে মরা মানুষ। শুইয়া আছে পাতার নিচে।
এবারে অমৃত মুচি একটু কেসে গলাটা পরিস্কার করে নেয়। তারপর মেয়ের চোখের দিকে তাকিয়ে বললেন, জ্যাতা কি মরা হেইডা দিয়া তোমার কাম কি? তোমার দরকার বিধুবাবুরে। জ্যাতা মরা যা-ই হোক বিধুবাবুরে পাইছ– হেইডাই মূল কথা।
শুনে ফুল্লরার ভ্যাল লেগে গেল। সে কী করবে বুঝতে পারছে না। এদিকে অমৃত মুচিও ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। একজোড়া জুতোসেলাই করতে বসেছে। এরপরে থানার দারোগা সাবের জুতোয় কালি লাগতে হবে।
ধীরে ধীরে সে আগাতে লাগল। সেটা বুঝতে পেরে অমৃত মুচি মাথা না তুলেই বলল, চিন্তা কইরো না মাইয়া। বিধুবাবু ভুত নয় নন। সহি ইনসান।
ফুল্লরা এবারে একটু সাহস নিয়েই বাড়িটিতে ঢুকল। ছায়া পড়ে এসেছে আগানবাগানে। আর কিছুক্ষণের মধ্যে অন্ধকার নেমে আসবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.