“বিষাদবৃক্ষ” : এক বিষাদ পাখির স্মৃতিকথন

 
 
ভাগ হলো মাটি, ভাগ হলো জল
ভাগ হলো ছেঁড়া কাঁথা কম্বল,
ভাগ হয়ে গেলো মানুষের মাথা
কান্নার ধ্বণি চির স্তব্ধতা।
আরতির শাঁখে আযানের টান,
সাত নাড়ি ছিঁড়ে উঠে আসা গান
ভাগ হলো।

ক্ষমতা লিপ্সু রাজনৈতিক নেতাদের ক্ষমতায় আসীন হবার তাড়াহুড়োয় রেডক্লিফের কলমের ধারে কাটা পড়লো ভারতবর্ষ। রাতারাতি পালটে গেল কোটি মানুষের ভাগ্যরেখা। দেশের স্বাধীনতার নামে পরাধীন মানবিকতার এমন নজির মানব ইতিহাসে খুবই বিরল! এই বিপন্ন পরিস্থিতির ফাঁদে আটকে পড়া মানুষের হতাশা, ক্ষোভ কিংবা ভেসে যাওয়ার কাহিনির প্রতি ক্ষমতার রাজনীতিতে নেশায় বুঁদ হয়ে থাকা মানুষদের বিন্দুমাত্র আগ্রহ থাকার কথা নয়। ধর্ম আর মানুষই যাদের ক্ষমতা হাসিলের দাবার ঘুটি, তাদের কাছে এমন পরিস্থিতির সম্ভাবনার কথা উপেক্ষিত থাকারই কথা। বাস্তবে হয়েছিলও তাই। ১৭ আগস্ট ১৯৪৭, ভারত-পাকিস্তান বাউন্ডারি কমিশনের চেয়ারম্যান সিরিল রেডক্লিফ(Cyril Radcliffe) সীমানা নির্ধারণ রেখা(রেডক্লিফ লাইন) প্রকাশের আগেই তড়িঘড়ি ভারত ছাড়েন। যাবার আগে তার সৎ ছেলের উদ্দেশ্যে এক চিঠিতে বলেন, “আট কোটি অসন্তুষ্ট মানুষ আমার সন্ধান করবে। আমি চাইনা তারা আমাকে খুঁজে পাক”(সূত্রঃ তের মাসের সূর্যকিরণ/লেখকঃ আজিজুল জলিল)। রেডক্লিফের নকশা অনুযায়ী দেশ ভাগ হলেও তাঁকে কতটা দায়ি করা যৌক্তিক আমরা নিশ্চিত নই। কেননা ১৭৫,০০০ বর্গমাইলের বিশাল একটা দেশকে ভাগ করার জন্য যথেষ্ট উপকরণ সরবরাহ না করে, তাকে সময় বেধে দেওয়া হয়েছিল মাত্র ৫ সপ্তাহ। ভূমিকে দু’টুকরো করে ভারত ও পাকিস্তানের জন্ম হয় নেহেরু ও জিন্নাহর নেতৃত্বে। যে নেতৃত্ব ক্ষমতায় গিয়ে রাতারাতি উদ্বাস্তু হয়ে পড়া সাধারণ মানুষের কথা মনে রাখার বিষয়ে না দেখিয়েছেন সততা, না সহমর্মিতা।
 
‘পাকিস্তান কায়েম করার সময় ..নিম্নবিত্ত নিম্নবর্গ তথা নিম্নবর্ণের মানুষদের সমর্থনের জন্য মুসলিমলীগ এক অভিন্ন স্বার্থের কথা বলেছিল। লাঙ্গল যার জমি তার এমন ‘নারা’ লাগিয়েছিল,’ যা পরবর্তীতে বিস্মৃতির খপ্পরে চলে যায়। কোনো পক্ষের নেতারা, বিশেষত মুসলিগপন্থীরা “This land is your land/This land is my land/ This land was made for you and me/You got to believe that.” এমন উক্তিকে কাজে প্রতিষ্ঠা করে দেখাতে পারেননি। বলাই বাহুল্য দেশভাগের কুফল ভোগ করতে হয় অন্তত কোটিখানেক সাধারণ মানুষকে।
 
নিজের সাতপুরুষের ভিটেবাড়ি আর জন্মস্থানচ্যুতির সেই নির্মম ইতিহাস নিয়ে যেসব কাহিনি লেখা হয়েছে তার মধ্যে মিহির সেনগুপ্তের “বিষাদবৃক্ষ” যেন কিছুটা আলাদা। “আমাদের সাহিত্য এবং সমাজবিজ্ঞান এমন একখানা গ্রন্থের জন্য অনেকদিন ধরে অপেক্ষা করছিল”- বইয়ের ফ্ল্যাপে উদ্ধৃত এই কথাগুলোকে শুরুতে অত্যুক্তি মনে হবে হয়ত। কিন্তু বইটি পড়া শেষে পাঠক অনুভব করবেন কথাটা মর্মে মর্মে কতটাই সত্যি। যদিও ছক মেনে গুছিয়ে লেখক তাঁর চিন্তাভাবনা গুলোকে ধারাবাহিকভাবে হয়ত লিখেননি। পরের কথা আগে, আগের কথা পরে এসে গেছে। তবে এতে করে লেখার সাবলীলতা খুব একটা ক্ষুন্ন হয়েছে বলে মনে হয়নি। অবশ্য লেখক নিজেও সেকথা স্বীকার করেছেন অকপটে। “পুরোনো কথা বলার এই মুশকিল, কথা ক্রমবিন্যাসে আসে না।” পুনারাবৃত্তিও হয়ত এই বইয়ের সামান্য একটি ত্রুটি, তবে বইটির গুরুত্ব বিবেচনায় এনে পাঠক চাইলেই তা আগ্রাহ্য করতে পারেন।
 
“বিষাদবৃক্ষ” মূলতঃ আত্মজৈবনিক লেখা। মিহির সেনগুপ্ত যাকে ‘কালচারাল এনথ্রোপলজি বলার চেষ্টা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। বইটির পরিসর ১৯৫১/৫২ থেকে ১৯৬১/৬২ দশ বছর সময়কালে বিস্তৃত। শুরুতেই লেখক তাঁর জন্মস্হান বরিশালের ঝালকাঠির কেওড়া গ্রামের প্রান্ত বেয়ে বয়ে চলা খালটির সাথে পাঠককে পরিচয় করিয়ে দেন। যাকে সেসময় স্হানীয় ভাষায় ‘পিছারার খাল’ নামে অভিহিত করা হতো। সেই পিছারার খাল দিয়ে দক্ষিণের মহাল থেকে আগত নৌকা এবং তার মাধ্যমে আনা সামগ্রীর বর্ণনায় জানা যায় মিহির ছিলেন সম্ভ্রান্ত ভূস্বামী পরিবারের সন্তান। যে পরিবারের আভিজাত্য ছিল তৎকালীন আর দশটা ভূস্বামী পরিবারের আদল মাফিক আড়ম্বরপূর্ণ। লেখকের ভাষায়, “বাড়ির আভিজাত্য তখন তিনতলার ছাদ ছাড়িয়েও প্রায় বারো হাত উঁচু্।”
 
পিছারার খালের উপর দিয়ে সময় গড়িয়ে যাবার সাথে সাথে চারপাশে ঘটে যেতে থাকে নানান সামাজিক উত্থান পতনের ঘটনা। যার নীরব সাক্ষী খাল পাড়ের জোড়া রেইনট্রি। ধর্মের ভিত্তিতে দেশভাগের জটিলতা আজীবন পাশাপাশি আপাত শান্তিপূর্ণ বসবাস করা মানুষগুলোর বুকের আগল খুলে ভেতরের কুটিল চেহারা দেখিয়ে দেয়। যার পরিণতিতে নগেন মশাইয়ের অবাধ উঠানে শৈশবের হাডুডু খেলার লোনতা ১, লোনতা ২ এর ডাকে সাড়া দেবার মুখগুলো ক্রমশঃ কমে যেতে থাকে। বলা হতে থাকে পাকিস্তান মুসলমানদের দেশ, হিন্দুদের জন্য হিন্দস্তান!
 
৫০ এর দাঙ্গা বরিশালে খুব বেশি প্রভাব বিস্তার করতে না পারলেও পরবর্তীতে কৌশলের আশ্রয় নিয়ে হিন্দু সম্পত্তি দখল, সরাসরি হত্যায় না গিয়ে মেয়েদের সম্মানহানি সহ নানান বিভীষিকা ছড়িয়ে হিন্দুদের সম্পত্তি সস্তায় কিনে তাদের দেশ ছাড়া করার যে পরোক্ষ অজাচার শুরু হয়, তার ভয়ে সম্পদের ভার মুসলমান তালুকদারদের হাতে গচ্ছিত রেখে রাতারাতি ভারত পাড়ি দেওয়া বক্সিবাবুদের সংখ্যা হু হু করে বাড়তে থাকার মুখেও মিহিরের পরিবার সহ আরো কিছু পরিবার জন্মভূমির মাটি কামড়ে পড়ে থাকে। মিহিরের বুড়ি পিসিমায়ের দেখা ‘সপপন্’ যেন তাদের তখনো আশ্বাস দিয়ে যাচ্ছিল, “…হিন্দুস্তান পাকিস্তান বেয়াক ভাগাভাগি মিডইয়া গেছে। বেয়াক কিছুই আবার আগের ল্যাহান। গোলায় ধান, পুহইরে মাছ, গাছে ফলফলাদি…”
 
এদিকে কোনো রকম পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না রেখে মধ্যস্বত্ব প্রথার বিলোপ, পরিবারের কর্তাদের বিশেষতঃ মিহিরের বাবার সংসার বিষয়ে নিদারুণ উদাসীনতা, জ্যাঠামশাইয়ের শঠতা ইত্যাদির সম্মিলিত আঘাতে মিহিরের পরিবারে নেমে আসে অশেষ দুর্গতি। যার বর্ণনা দিচ্ছেন লেখক এভাবে, “সামন্ত বিক্রমের নাভিশ্বাসের কারণে তাঁদের(পরিবারের কর্তাগণ) রুচিরও বিকৃতি ঘটতে শুরু করেছে। বাড়ির ছেলেমেয়েদের কোনও ব্যাপারেই তাঁদের চিন্তা ভাবনা নেই। শিক্ষা তো দূরস্থান। তাঁদের দুটো জিনিসই তখন আছে। একটি অতি প্রাচীন ধ্বংসোন্মুখ অট্টালিকা এবং সেই অট্টালিকার প্রতিটি ইটের খাঁজে সাজানো এক কিংবদন্তির আভিজাত্য। কত কঠিনভাবেই না সেই সময় আমরা এই মিথ্যে আভিজাত্যের মূল্য দিয়েছি, সে ইতিহাস বর্ণনা দুরুহ।”
 
দুরূহ সে ইতিহাস বর্ণনার চেষ্টায় মিহির যেন জোড়া রেইনট্রিতে বসে থাকা রূপকথার ব্যাঙমার মত এক বিষাদ পাখি। পরম মমতায় যিনি হৃদয় খুঁড়ে বেদনাময় অতীতকে পাঠকের সামনে হাজির করেছেন। সে অতীত কথনে ব্যক্তিগত সুখ দুঃখের পাশাপাশি উঠে এসেছে ক্রমশঃ পরিবর্তিত সমাজ, তার আচার আচরণ। রাজনৈতিক নেতাদের গোপন কলকাঠির যোগসাজশে সমাজে ঘটতে থাকা বিশৃঙ্খলতার উৎকট স্বরূপ। বাংলা ভাষা তথা সাহিত্যকে হিন্দুয়ানি মুক্ত করার একরোখামি, যা থেকে খোদ কবি নজরুলও রক্ষা পাননি। নজরুলের কিছু কবিতার হিন্দুয়ানী শব্দও পাল্টে দেওয়া হয়েছিল। তাছাড়া গ্রামীণ নানান পালা পার্বণ, আচার অনুষ্ঠানের বিলুপ্তি। ধর্মভিক্তিক নানান আনন্দ অনুষ্ঠানে অন্যধর্মের মানুষের অবাধ অংশগ্রহনের পথে বাধা দেবার প্রথা চালু, ইত্যাদি খুঁটিনাটি বিষয়গুলো নিয়ে একজন সংবেদনশীল দর্শকের মত মিহির বিস্তারিত বলার চেষ্টা করেছেন। যা বইটিকে সমৃ্দ্ধ করেছে।
 
বইটির সূচনাকালে হিন্দু মুসলমানদের মধ্যেকার পারস্পরিক সম্পর্কের যে সৌহার্দ্যরূপ দেখে মুগ্ধ হতে হয়, শেষ দিকে পৌঁছালে সম্পর্কটা এমন কুৎসিত অমানবিকতায় রূপ পায় তখন বুঝতে অসুবিধা হয় না এদেশে সংখ্যালঘুদের জন্য কী কঠিন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছিল তখন। এই যে সম্পর্কের অধঃপতন বা পরিবর্তন তার পেছনে কাজ করেছে পাকিস্তানের তৎকালীন রাজনৈতিক পটপরিবর্তন। কেননা বইয়ের সূচনাকাল ১৯৫২ দেশ ভাগের বেশ কয়েক বছর পরের ঘটনা হলেও তখনো সংখ্যালঘু হিন্দুদের বৃহৎ অংশ দেশত্যাগের কথা ভাবেনি, যেমন মিহিরের নিজের পরিবার। অতঃপর “পাকিস্তান শুধু মুসলমানের দেশ, হিন্দুদের হিন্দুস্থান” – এই মানসিকতা একটা রাজনৈতিক মহল থেকে সুকৌশলে প্রবেশ করানো হয়েছিল মুসলমানদের একটা অংশে। সেই সময় সুযোগসন্ধানী মুসলমানদের একটা অংশ নানানভাবে হিন্দুসম্পত্তি গ্রাস করার মানসিকতায় প্রতিবেশীদের সাথেও ঝামেলা পাকাতে থাকে। যেটাকে শুধু ঝামেলা বললে ঠিক বোঝানো যায় না। একটা পরিবারের সম্পদ গ্রাস প্রক্রিয়া শুরু হয় সম্ভ্রম লুণ্ঠনের মাধ্যমে। যে অঞ্চলের মানুষ শত বছর ধরে জমিজমার দাঙ্গা হাঙ্গামা কিংবা ডাকাতি রাহাজানিকে ভয় পায়নি, সেই এলাকার মানুষ সম্ভ্রম লুণ্ঠনের ভয়ে সাতপুরুষের ভিটে ছেড়ে পাড়ি দিতে শুরু করে অচেনা এক দেশে। যে দেশের সাথে ধর্ম ছাড়া আর কিছুর সাথে তার পরিচয় নেই।
 
“বিষাদবৃক্ষ” বিষয়ে, স্পষ্ট করে বলতে গেলে লেখক বিষয়ে আরেকটি কথা না বললেই নয়। একজন লেখককে ধর্মের উর্ধ্বে রেখেই সব সময় তাঁর সৃষ্টিকে উপভোগ করার চেষ্টা করি। সেখানে কে হিন্দু, কে মুসলিম বা খ্রিস্টান বাছবিচারের প্রশ্ন আসে না। তবুও এর আগে এ বিষয়ে যে বইগুলো পড়বার সুযোগ হয়েছে, সেখানে লেখককে কোন একটা পক্ষের বক্তার ভূমিকা পালন করতে দেখেছি। ‘বিষাদবৃক্ষ’ যেন এ থেকে অনেকটাই মুক্ত। এখানে লেখক অকপটে দুই ধর্মের মানুষ, তাদের আচার বিধি কর্মপদ্ধতির আলোচনা/ সমালোচনায় মুখর হয়েছেন। ইসলাম ধর্মের আচার বিধি সম্পর্কে লেখকের জ্ঞান, আন্তরিকতা যেমন পাঠকের দৃষ্টি এড়াবে না, একইভাবে হিন্দু ধর্মের নানান দেখানেপনা, নিজ পরিবারের অন্তঃসারশূন্য বাগাড়ম্বর ইত্যাদি নিয়ে বলতে দ্বিধাগ্রস্ত হতে দেখা যায়না। দ্বিধাহীনভাবেই মিহির তাই লিখতে পারেন ” ..দোষে গুণে আমরা উভয় সম্প্রদায়ই তুল্যমূল্য। কিন্তু মজার ব্যাপার এই যে, বরাবর আমরা একে অন্যকে দুষে আসছি। কেউই কখনও নিজেদের দোষের পসরা নিয়ে বলিনি, দেখ ভাই এই আমাদের দোষ, এগুলোকে তুচ্ছ করে এসো আমরা ভালোয় মন্দে বাঁচি, এবং এই দোষগুলোর সংশোধন করি। না, আমরা কদাপি এরকম সুবুদ্ধিতে পরিচালিত হইনি। না হিন্দুরা, না মুসলমানেরা।”
 
“বিষাদবৃক্ষ” ৪৭ পরবর্তী বরিশাল অঞ্চলের একটি খণ্ডিত স্মৃতিচিত্র হলেও এটি মূলত সেই সময়কার সমগ্র পূর্ববাংলার সামাজিক চিত্রের এক অসামান্য দলিল। পিছারার খাল, আর সেই খাল পাড়ের জোড়া রেইনট্রি বিষাদবৃক্ষে মিহিরের স্মৃতির হাত ধরে বার বার ফিরে এসেছে। প্রত্যেক মানুষই হয়ত আজীবন তার শৈশবকে খুঁজে ফিরে নানান ছুতোয়। মিহির সেনগুপ্ত একই সাথে তাঁর শৈশব এবং জন্মস্হানকে খুঁজে ফিরেছেন। যে দেশের আলো হাওয়ায় একজন মানুষের বেড়ে ওঠা, চাইলে তাকে হয়ত স্বভূমি ত্যাগে বাধ্য করা যায়। কিন্তু একজন জীবন্ত মানুষের বুকের ভেতর নিরন্তর বয়ে বেড়ানো স্মৃতির ভাণ্ডারে হাত দেবার সাধ্য পৃথিবীর কোনো ক্ষমতাশালী শাসকই রাখেন না। মিহির তাই বার বার পিছারার খাল বেয়ে চলে আসতে চান তাঁর নাড়ীপোতা গ্রামে। রেইনট্রির শাখায় শাখায় আটকে থাকে তাঁর শৈশব কৈশোরের দুঃখ জাগানিয়া দিনরাত্রির গল্পগুলো। সেই পিছারার খাল কিংবা জোড়া রেইনট্রি হয়তবা আজ আর নেই। কিন্তু লেখক মিহির সেনগুপ্তের বিষাদবৃক্ষে তাদের অক্ষয় তুমুল সহবাস।

———-

পোস্টে ব্যবহৃত কবিতার লাইনগুলো সৈকত কুন্ডু’র ‘দেশ’ কবিতা থেকে নেয়া।

 

লেখক পরিচিতি:
নাহার তৃণা
গল্পকার।অনুবাদক।প্রাবন্ধিক
শিকাগোতে থাকেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.