ইন্দিরা মুখার্জীর লেখক ভুবন : পড়তে গিয়েই আবিষ্কার করি নিজেকে

গল্পপাঠ ১. গল্প লিখতে শুরু করলেন কেন?

ইন্দিরা মুখার্জী : আমার চুপকথার যৌবন থেকে রূপকথা গড়িয়ে বাস্তবের বিয়ে । তাঁতবোনার কলে সংসারের প্রাত্যহিক টানা ও পোড়েন । একহাতে ঝিনুকবাটি আর অন্যহাতে দাঁতকপাটি এঁটে শ্বশুরঘরের ঝুটঝামেলা। জীবনের সত্যি রসায়নটা বদলাল যন্ত্রজাল । রোজ রাতে ডায়েরী লেখাটা শুরু হল হঠাত করে কিন্তু কালি-কলমে নয়, ডিজিটাল ডায়েরীতে । পা রাখলাম ব্লগ দুনিয়ায় । বহুদিনের অযত্নে আমার কর্ণিকাকে শানিয়ে নিলাম রোজ ।

আমি সংসারের ঘরণী, কান্ডারী, মা, বৌ । কিন্তু আমার কথা ভাবছিলনা কেউ । এবার আমি “আমার মতো” করে আমার কথা ভাবতে লাগলাম । থোড়বড়ির জঞ্জালে, আমার মুক্তি হল আলোয় আলোয় । এ সংসারে কিছুই যাবেনা ফেলা । তাই ব্লগে রাখা একরাশ কবিতারা ব‌ই হতে চাইল। এহেন নগন্য বেকার হোমমেকারের প্রথম ব‌ই হয়ে ছেপে বেরুলো ২০০৯ এ ।

সাহিত্যের ছাত্রী ছিলামনা বলে নিজের লেখাকে কখনোই পাত্তা দিতে ইচ্ছে করতনা। এখনো তাই মনে যথেষ্ট চিন্তা হয় আমার লেখা মানুষ নেবে কি না । সংসদের অভিধান পাশে নিয়ে বসি। কেবলি মনে হয় ভুল শব্দচয়ন হল । দ্বিধা দ্বন্দের অবসান হয় পাঠকদের ফিডব্যাক পেয়ে ।

কবিতা, গল্প আর ভ্রমণ বৃত্তান্ত লেখার নেশা আমাকে পেয়ে বসল । আন্তর্জাতিক স্তরে লেখা প্রকাশের সাথে সাথে প্রিন্ট পত্রিকাতেও স্থান পেল আমার কলম।

২০১১ তে দেশ পত্রিকায় গল্প বেরোনোর পর যেন গল্প লেখার উত্তেজনায় পেয়ে বসল । তারপর দৈনিক স্টেটসম্যান, শিলচরের জনকন্ঠ, আটল্যান্টার পুজোসংখ্যা অঞ্জলি, এবেলা, প্রথমা এখন আমাকে জায়গা দিয়েছে তাদের গল্পের পাতায় । তাই গল্পলেখা এখন নিছক ভালোবাসা নয়, নেশাও বটে । প্রচুর ছোটদের গল্প লিখেছি দিয়ালা এবং ইচ্ছামতীতে । আনন্দমেলায় গল্প বেরোনোর পর আরো ভালো লেগেছে, ছোটদের গল্প লেখার জন্য জয়েন্ট পাশ করেছি বলে মনে হয়েছে । তাই গল্পলেখা আপাতত আমার ওঠাবসায়, খাওয়া-শোয়ায় এবং ঘুমের মধ্যে। আমি কান পেতে র‌ই। পথচলার আখরগুলো আঁচলে বেঁধে নি। আবার চলতে থাকি নতুন ভাবনা নিয়ে। মেতে উঠি নতুন প্লটে ।

২০০৯ তে প্রথম অগোছলো কবিতার ব‌ই “মোর ভাবনারে” প্রকাশের অনুষ্ঠানে এসে জয় গোস্বামী বলেছিলেন গল্প লিখতে । চেষ্টা শুরু করেও হচ্ছিলনা। তারপর হয়তবা পারলাম । কিন্তু সেভাবে আর পারলাম ক‌ই? অনবরত হোঁচট খাই গল্প-গদ্যের উঠোনে।

আদ্যোপান্ত হোমমেকারির সাথে আলোয় আলোয় মুক্তির তো একটা উপায় বের করা চাই তাই বলে আমি আশাবাদী। কিছুটা অধ্যাবসায়, কিছুটা ঘাম ঝরানো, রোদবৃষ্টি মাখার সাথে সাথে সাহিত্যচর্চায় মনের মুক্তি তো হয়, সেটাতো শেষ চল্লিশের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছি। সাহিত্যরস আস্বাদন…. সে লেখা বা পড়া যার মাধ্যমেই হোক না কেন বার বার তাকে বলতে ইচ্ছে করে “এ কানুর তুলনা নাই!”

গল্পপাঠ ২. শুরুর লেখাগুলো কেমন ছিল?

ইন্দিরা মুখার্জী ২ : শুরুর লেখা ছিল অবিন্যস্ত, একঘেয়ে আর কোনো দিশা না দেখতে পাওয়া জীবনের লেখা। ছেঁড়া ছেঁড়া অলস কবিতা, টুকরো টুকরো গদ্য অথবা এধার ওধার ছড়ানো ছেটানো নিছক ব্লগপোষ্ট কেবল । এখনো তেমনি আছে । তবে সাহিত্যের সব ধারা অর্থাত রম্যরচনা, প্রবন্ধ সবকিছুই গল্পের সাথে সাথে নিয়মিত অভ্যাস করে চলেছি। তবুও গুছিয়ে উঠতে পারলাম ক‌ই?

ব্লগ লেখার শুরুতে রান্নাঘরে ইনোভেশান আরেকটি ভালোলাগার ঠেক ছিল । তাই সেখানকার সৃষ্টিরহস্যে মাতল কিচেনব্লগ । নতুন রেসিপি, প্রেজেন্টেশানের কায়দা, আর ক্লিক ক্লিক ! ২০১৩তে ছেপে বেরুলো এহেন গৃহিণীর হেঁশেল ব‌ই ! এভাবেও নারীমুক্তি সম্ভব !

গল্পপাঠ ৩. গল্প লেখার জন্য কি প্রস্তুতি নিয়েছেন? নিলে সেগুলো কেমন?

ইন্দিরা মুখার্জী ৩ :  প্রচুর ব‌ই পড়েছি ও পড়ছি এখনো । পড়তে গিয়েই আবিষ্কার করি নিজেকে। মনে হয় এই চরিত্রটা আমার কলমে অন্যরকম যদি হত! কিম্বা রহস্যের জট খুলতে যাই অন্যভাবে। ক্লু পেয়ে গেলেই ব্যাস! নিজের মত করে শুরু করে দি । তবে সফল হয়েছি কিনা তা বলবেন প্রিয় পাঠক আমার ।

গল্পপাঠ ৪. আপনার গল্প লেখার কৌশল বা ক্রাফট কি?

ইন্দিরা মুখার্জী ৪ : ধুস্‌! কি যে বলেন! আমার মত নগন্য লেখিকার আবার কৌশল ? সেভাবে আর লেখিকা হতে পারলাম ক‌ই? ই-ম্যাগাজিনের কৃপায় একটু চেনা পরিচিতি হযেছে এই পর্যন্ত। অন্যথায় এমনি এসে ভেসে যাই, আলোর মতন, হাওয়ার মতন, হাসির মতন, নেশার মতন, ঢেউয়ের মতন এই আর কি! ইরে! ভাট বকে ফেললাম্? কি করি বলুন একটু আধটু গান গাই বলে গানের কথা আমাকে খুব টানে।

ভোরবেলা মর্নিং ওয়াকে গিয়ে স্বামীর সাথে আলোচনা করি গল্পের চরিত্রদের নিয়ে। ঘটনার খেয়া ভাসাই নিজের মত করে । প্রচুর ব‌ই পড়ি সময় পেলেই । সেগুলো অবশ্য‌ই উপন্যাস ও গল্প।

গল্পপাঠ ৫. আপনার নিজের গল্প বিষয়ে আপনার নিজের বিবেচনা কি কি?

ইন্দিরা মুখার্জী ৫ : আমি নিজের ভাবনা নিয়ে গল্প লিখি। পাঠকের কথা অবশ্য‌ই মাথায় থাকে আর মাথায় রাখি বর্তমান প্রজন্ম, বর্তমানের জীবনযাপনের অনুষঙ্গগুলোকে । অহেতুক শাখাপ্রশাখা বিস্তারে গল্পের টানটান উত্তেজনা নষ্ট হয় আর গল্পের মধ্যে সাহিত্যপনা বা চটুলতা সর্বদা কাম্য নয় । এতে গল্পের রসসৃষ্টিতে ব্যাঘাত ঘটে বলে আমার মনে হয় । এইজন্য গল্প উপন্যাসের থেকে পৃথক বলে আমার মনে হয় । গল্পের গদ্যের ভাষা ঝরঝরে হবে তবেই তা পৌঁছবে পাঠকের কানে।

এখনো আমার গল্প ঠিকঠাক হচ্ছে বলে আমার মনে হয়না। পাঠক তা বিচার করবেন। আমি প্রতিদিন ভোরে উঠে গল্প লেখার কর্ণিকা খানি শানিয়ে নিচ্ছি বটে তবে তা দিয়ে কতটা পাঠক মনে আঁচড় কাটতে পারব তা বলা মুশকিল।

গল্পপাঠ ৬. আপনার আদর্শ গল্পকার কে কে? কেনো তাঁদেরকে আদর্শ মনে করেন?

ইন্দিরা মুখার্জী ৬ : কাকে ছেড়ে কাকে বলি বলুন তো !
আদর্শ গল্পকার আশাপূর্ণা দেবী, শংকর, প্রভাত মুখোপাধ্যায়, আশুতোষ মুখোপাধ্যায়, সুবোধ ঘোষ, বনফুল, সুচিত্রা ভট্টাচার্য। নবনীতা দেবসেনের ভ্রমণ বৃত্তান্ত আমাকে টানে । তিলোত্তমা মজুমদারের লেখা এখন খুব ভালো লাগে। আর মল্লিকা সেনগুপ্ত, শ্রীজাত এদের কবিতা খুব ভালো লাগে পড়তে । আমার ভালোলাগার সকল প্রণম্য গল্পকারদের কাছ থেকে এটাই শিখেছি কেমন করে মূল গল্পস্রোতকে পাঠকের মনে জি‌ইয়ে রাখা যায়। এবং প্রতিনিয়ত‌ই শিখে চলেছি। কারণ সাহিত্যের ধারাপাতের কোনো সিলেবাস নেই। যদিও কবির ভাষায় ‘সেই সত্য যা রচিবে তুমি’ কিন্তু সেই সত্যকে সুন্দর, মনোমুগ্ধকর করে তোলার চাবিকাঠি লেখকের হাতেই ।

গল্পপাঠ ৭. কার জন্য গল্প লেখেন? আপনি কি পাঠকের কথা মাথায় রেখে লেখেন?
লিখলে কেনো লেখেন? আর যদি পাঠকের কথা মনে না রেখে লেখেন তাহলে কেনো পাঠককে মনে রাখেন না লেখার সময়ে?

ইন্দিরা মুখার্জী ৭ : দেখুন যখন গল্প লিখি মাথায় অবশ্যই রাখতে হয় সময়ের প্রেক্ষাপট। পাঠকের চাহিদা। তাই বলে আমার ভাবনাগুলোকে “পাবলিক খাবে” বলে ভাবিনা। আমি আমার মত করে ভাবি। অবশ্য্‌ই সেখানে নতুন ধাঁচ বা স্টাইলটা মাথায় থাকে। যেমন প্রেমের দৃশ্য বর্ণণার সময় যৌনতা বা শারীরিক আলোচনার চেয়ে আমার কাছে বেশি স্থান পায় কম কথায় সেই প্রেমালাপের বার্তা পাঠকের মনে পৌঁছে দেবার ভঙ্গিমা । অনেকেই লেখেন রগরগে যৌনতা, পাঠক পছন্দ করবেন বলে। কিন্তু বিশ্বাস করুন আমার সেখানে মনে হয় এ তো স্বাভাবিক, কুকুর-বেড়াল সকলেই জানে তা। তা নিয়ে এত মাতামাতি করব কেন? বাংলা সাহিত্যের ছুরিকাঁচি দিয়ে বুঝিয়ে দেব নরনারীর প্রেম। আর কিছুদিনের মধ্যেই তো মারকামারা হয়ে যাবে সে লেখা। সব কথাই বললাম একান্ত আমার নিজের দৃষ্টিভঙ্গী দিয়ে ।

প্রাকৃতিক অনুষঙ্গ বা ঋতুবৈচিত্র্য গল্পের মধ্যে ইনসার্ট করতে ভালো লাগে। মাত্রা পায় গল্পটা।

আমার মা একজন সর্বভুক পাঠিকা। নিপাট বাংলা খাসগল্প বা লোকগাথা নিয়ে গল্প লিখতে বসলেই মায়ের মুখটা মনে পড়ে যায়। সাথে সাথে ফোন করে আলোচনা করে নি সেই বিষয়টা নিয়ে । মা রেফারেন্স দেয় কোনো ব‌ইয়ের। তার আনাচকানাচটায় চোখ বোলাই একটিবার, ঝালিয়েনি সেই কাহিনীর আশপাশ, পরিচিত হয়েনি মানুষজনের সাথে, ভাষার সাথে ।

গল্পপাঠ ৮. এখন কি লিখছেন?

ইন্দিরা মুখার্জী ৮ : এখন গল্প লিখছি, বড়দের ও ছোটদের জন্য । আর লিখছি একটি ভ্রমণোপন্যাস। ধারাবাহিক বিদেশ ভ্রমণের কথা লিখছি ছোটদের ই-পত্রিকা ইচ্ছামতীতে । আদরের নৌকার ব্লগে লিখছি ধারাবাহিক স্মৃতিকথা । এছাড়া নিজের জীবনের কথা লিখে চলি আমার ব্লগে, কিছুটা খামখেয়ালে কিছুটা আনন্দে। তবে অন্যত্র লেখার সুবাদে আর ব্যাস্ততায় পার্সোনাল ব্লগ আপডেটে আগের থেকে অনেকটাই গেঁতোমি ।

ভ্রমণকাহিনীর ওপর কলকাতা ব‌ইমেলা ২০১৪তে প্রথম ব‌ই প্রকাশ করেছে সৃষ্টিসুখ। ব‌ইয়ের নাম “চরৈবেতি”। আমার পাঠকবন্ধুদের সুবাদে প্রচুর ব‌ই বিক্রি হয়েছে এবার ব‌ইমেলায় । বন্ধুরা পড়ে বলেছেন আমি নাকি ভ্রমণ বৃত্তান্ত বিন্যাসে বেশী সাবলীল । তাই এবার হাত দিলাম ভ্রমণ-উপন্যাসে।

এই বছরেই অনলাইন বুকস্টোর pothi.com থেকে ১২টি ছোটগল্পের সংকলন “দ্বাদশী” প্রকাশিত হয়েছে । বন্ধুদের ফিডব্যাক পেয়ে মনে হচ্ছে আরো গল্প লিখে চলি ।

গল্পপাঠ ৯. আগামী কি লিখবেন?

ইন্দিরা মুখার্জী ৯ : আরো আরো গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ, ভ্রমণ বৃত্তান্ত লিখতে চাই । পৌঁছতে চাই ব্লগ ও ই-পত্রিকার মাধ্যমে বিশ্বের বাংলা পাঠকদের দরবারে।

আমার অণুপ্রেরণার উৎস আমার স্বামী । জীবনের রোজনামচা থেকে একঘেয়েমি কাটাতে উনিই প্রথম আমাকে ব্লগ খুলে কম্পিউটারে বাংলায় লিখতে শিখিয়েছিলেন । আজ ব্লগ না লিখতে শুরু করলে সোশ্যালনেটওয়ার্কে বন্ধুরা আমাকে চিনতই না ।

উনি হাতেকলমে এই প্রযুক্তি না শিখিয়ে দিলে এই ভালোলাগা থেকে বঞ্চিত হতাম । নতুন করে আমার লেখালেখিকে ফিরে পেয়ে আমি বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তির কাছে যারপরনেই কৃতজ্ঞ । ব্লগের হাত ধরে ইন্টারনেটে সাহিত্যচর্চা শুরু করে সুদূর আমেরিকার পুজোসংখ্যাতে লিখতে শুরু করা এবং ক্রমে একাধিক কিশোর ওয়েবপত্রিকায় লেখা শুরু করি । তারপর রোমানিয়ার এক ব্লগে আমার কবিতার অনুবাদ প্রকাশে রোমানিয়ার সেই পত্রিকার প্রেসকার্ড, ভারত হাইকমিশন, ঢাকার পত্রিকায় লেখা প্রকাশ এবং একে একে আমাদের দেশের পত্রিকা ও সংবাদপত্রে গল্প ও ভ্রমণকাহিনী প্রকাশ আমার কাছে বিশাল প্রাপ্তি । তাই সবকিছুর লেখার পাশাপাশি ব্লগ আমাকে লিখে যেতেই হবে। এহেন বেকার হোমমেকারকে যে একটা স্টেটাস দিয়েছে তাকে ভুলি কেমনে ?

আমি কিন্তু আমার মতই আছি । একমুঠো ছেঁড়াছেঁড়া কবিতা, দু-এক টুকরো গানের কলি, তিন-চামচ স্টেট্যাস আপডেট আর চার ফোঁটা গল্প দিয়ে গার্ণিশ করে চলেছি আমার জীবনপাত্রকে ।


লেখক পরিচিতি

ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় 

জন্ম সাল ১৯৬৫।
জন্মস্থান আড়িয়াদহ।
বর্তমান আবাসস্থল : দক্ষিণ
কলকাতা।
ছোটগল্প, প্রবন্ধ, ভ্রমণ কাহিনী, কবিতা, অণুগল্প লেখেন।
প্রকাশিত  কবিতার ব‌ই : মোর ভাবনারে”। 
রান্নার ব‌ই :  ( English)  89 Recipes.
ভ্রমণকাহিনী : চরৈবেতি। 
ছোটগল্প সংকলন : দ্বাদশী 
প্রাপ্ত পুরস্কার : দ্বাদশ
বেহালা ব‌ইমেলায়(২০০৯) কবিতার ব‌ই শ্রেষ্ঠ পুরষ্কারে সম্মানিত ।
রোমানিয়ান পত্রিকায় কবিতার
অনুবাদের জন্য রোমানিয়ান ব্লগের প্রেসকার্ড ।
সাধারণ ব্লগ : www.sonartoree.com 
ভ্রমণ-ব্লগ: www.charaibety.blogspot.in 
কবিতার ব্লগ: www.chhinnopata.blogspot.in 
সম্পাদিত ই-পত্রিকা: papyrus.sonartoree.com
ইমেইল-ঠিকানা : indira@sonartoree.com

2 thoughts on “ইন্দিরা মুখার্জীর লেখক ভুবন : পড়তে গিয়েই আবিষ্কার করি নিজেকে

  • August 22, 2015 at 6:17 pm
    Permalink

    hmm her history is inspiring

    Reply
  • September 8, 2017 at 7:02 am
    Permalink

    ঠিক তাই, আপনি আপনার মতো ভাবুন, আপনার মতো লিখুন … আমরা পড়ি … আমরা পড়ব । আলোচনায় অনেক অজানা তথ্য জানলাম।

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *