রঞ্জনা ব্যানার্জী’র গল্প : মাৎস্য

ছেলেবেলার সেই ঘটনাটার পর আমি অন্ধকারকে ভয় পেতাম খুব। প্রায় দশ বছর বয়েস পর্যন্ত আমি বাবা মা’র সাথেই ঘুমিয়েছি।নিজের ঘরে যখন শেষমেশ শুতে শুরু করলাম তখনো রাতে আলো জ্বালিয়েই ঘুমাতাম। তারপরেও কোন কোন রাতে হঠাৎ অজানা আশঙ্কায় হাত পা শক্ত হয়ে যেত, অদ্ভুত ভয় চেপে বসত বুকে, বিচ্ছিরি গোঁগোঁ আওয়াজ হ’ত। বাবা টের পেলে উঠে আসতেন।তারপর একদিন বাবাই আমাকে অন্ধকারের শব্দ চেনালেন। অসংখ্য ঝিঁঝিঁ পোকার মিলন মেলা যেন। খুব কান পাততে হয় শব্দটা চিনতে। এরপর আর আমি অন্ধকারকে ভয় পেতাম না বরং শব্দের ভেতর শব্দ চেনার অদ্ভুত নেশায় পেয়ে বসেছিল আমাকে। অথচ এখন হঠাৎ ঘুম চটলে, রাতগুলি যতি চিহ্ন হয়ে একপায়ে দাঁড়িয়ে থাকে আর মগজের ভেতরে একটা শব্দই বাজতে থাকে “কাকতালীয়”।

আজ ঘুমটা ভাঙল একটা বিচ্ছিরি ঝাঁঝালো গন্ধে। পেট ঘুরে বিচ্ছিরি মেছো গন্ধটা এক্কেবারে মুখে এসে জমেছে যেন! চোখ খুলতেই দেখি ঠিক আমার নাকের সামনে ভাসছে মাছটা।শূন্যে। চারপাশে জ্যোতির্ময় আলো। যেমন দেবদেবীর মাথার পেছনে থাকে। মাছটার পেটের কাছটা লালচে নয় সবুজ। আগেও এমন ছিল হয়তো; খেয়াল করিনি। এত কাছ থেকে অবশ্য দেখাও হয়নি। এতটাই কাছে যে ইচ্ছে হলেই ওকে আমি ছুঁতে পারি।কিন্তু ইচ্ছে হচ্ছে না।নরম সোনালি আলোর ভেতর থেকে অদ্ভুত নীলচে গুঁড়ো ওর ঠোঁট গ’লে ঢুকে যাচ্ছে।পুরো ব্যাপারটার মধ্যে একটা স্যুরিয়েল ভাব, কেবল গন্ধটাই কোন স্বপ্নিল মাত্রা দিচ্ছে না।

এতদিন মাছটা আমাকে যা দেখাতে আসত ঝটপট তা দেখিয়ে দিত। আমি অনেকের মধ্যে একা হয়ে সেই দৃশ্য দেখতাম এবং সব সময়ই আমার সংবিৎ ফিরতো অন্য কারো চেষ্টায়। একবার তো জুতো পুড়িয়ে আমার জ্ঞান ফেরানো হয়েছিল। কিন্তু আজ ও কেমন থমকে বুড়বুড়ি কাটছে আর চোখ মেলে দেখছে আমাকে!

এই মাসে এই নিয়ে দু দু’বার ওকে দেখলাম। দু’ সপ্তাহ আগে দুপুরে খাবার টেবিলে কেবল ভাত মুখে তুলেছি হঠাৎ উলটো দিকের দেয়ালটা দুলে উঠল আর পলক না ফেলতেই দেয়াল ফুঁড়ে মাছটা মা-বাবার ছবির ওপর লেজ নেড়ে ভেসে বেড়াতে লাগল। তারপরেই সেই দৃশ্য; সবুজ শাড়ি পরা কেউ একজন ঝুলছে উঁচুতে।এত উঁচুতে যে মুখ দেখা যাচ্ছিল না, কেবল পা জোড়া আমার দৃষ্টি সীমায়। হাল্কা সবুজ জমিনে উজ্জ্বল সবুজ সুতোর কাজ করা পাড় গোড়ালির উপর আলগোছে জেগে আছে। তার নিচেই গোলাপি নেইল পলিশ পরা প্রাণহীন পায়ের পাতা দুলছে- একবার এদিক আর একবার ওদিক। হুঁশ ফিরল মা’র চেঁচামেচিতে। বেচারি মা ভাতের থালা থেকে আমার মাথা টেনে তুলতে হিমশিম খাচ্ছিল। মাকে দেখে আমার ভীষণ মায়া হয়েছিল। পরদিনই মা আবার আম্বিয়ার মা’কে খবর দিয়ে তাবিজ আনিয়েছিল। এবারেরটা মোক্ষম!এই হুজুর নাকি একই সময়ে তিন জায়গায় দর্শন দিয়েছেন।

আমার মা একজন অদ্ভুত মহিলা। সরকারি কলেজে পদার্থ বিজ্ঞান পড়ায় প্রায় কুড়ি বছর ধরে, কিন্তু মাদুলি-কদলীতে মহা আগ্রহ। বাবার আত্মার সদগতির জন্য দশ বছর ধরে নিষ্ঠার সাথে শনি-মঙ্গলের উপোস করে যাচ্ছে। মা কিংবা আম্বিয়ার মা দু’জনের কেউই আমার এই মৎস্য দর্শনের ব্যাপারটা জানে না। এসব তাবিজ কবজ চলছে আমার ফিটের ব্যামো তাড়াতে। তবে মাছ দেখার ব্যাপারটা যখন প্রথম ঘটেছিল তখন সবাই জেনেছিল। আমার বয়েস সবে ছয় ছুঁই ছুঁই। কুমিল্লা থেকে দাদার পৈতে উপলক্ষে দাদুর বাড়ি চট্টগ্রামের রাউজানে গিয়েছিলাম। ছোট মামাও সে বছর কানাডা থেকে সব ছেড়েছুড়ে বিন্দাস বাড়ি ফিরেছিল- চৌদ্দ বছর পর। মাছ ধরা ছোট মামার নেশা। ঘন্টার পর ঘন্টা জলের ওপর চোখ ভাসিয়ে মামা বসে থাকত। ব্যাপারটা আমার দারুণ পছন্দের ছিল। মামাকে দেখতে তখন বেশ ঋষি ঋষি লাগত।

সেইদিন আমি আর দাদা পুকুর ঘাটে মামার মাছ ধরা দেখছিলাম। মামা ছিপ ফেলে বসে আছে, পাশে ফ্লাস্ক ভর্তি চা।আমরা দুই ভাই বোন অধীর আগ্রহ নিয়ে জলের দিকে তাকিয়ে আছি মামার মতই।

আমার একটা ড্রইং বই ছিল, আঁকা শেখো । প্রত্যেক পাতার ওপর ভাগে একটা করে রঙিন ছবি তার ঠিক নিচে রঙ ছাড়া সেই একই ছবি। সেই বইয়ে একটা মাছের ছবি ছিল। রুপোলি ঝলমলে লাল চোখের পেট মোটা মাছ – নিচে লেখা ডিম ভরা কৈ। কৈ মাছ মোটেও রুপোলি নয় তাতে কী! ছবিটা আমার ভীষণ প্রিয় ছিল। সেই সস্তা আঁকার বইটা হারিয়ে গেছে কবেই কিন্তু এখনও কৈ মাছের নাম শুনলেই ছবিটা আর সেই নরম রোদের সকালটা ঝাঁ করে সামনে ভেসে ওঠে। আমার ক্রেয়নের বাক্সে কোন রুপোলি রঙ ছিল না তাই ডিম ভরা কৈ মাছটা আর রাঙানো হয়নি। সেইদিন খুব চাইছিলাম অমন একটা রুপোলি ঝলমলে মাছ মামার বড়শিতে গাঁথুক।

আমার ধৈর্য যখন এক্কেবারে চুড়ান্ত সীমায় ঠিক তখনই সত্যি সত্যি ফাতনাটা নড়ে উঠল। দাদার হাতে ছিল ছিপ, মামা জলে চোখ রেখেই চা ঢালছিলেন। দাদা ভড়কে গিয়ে জোরে দিল টান আর আমি দেখলাম চোখ ধাঁধানো রুপোলি আলো পুকুরের অন্য পাড়ে। মাছটা ভাসছে জলে নয়, জলের ওপরে। অদ্ভুত সুন্দর আলোর ঝরনার ভেতর ওর রুপোলি শরীর ঝিকমিক করছে। আমার চারপাশ যেন থমকে গেল। কেবল আমি আর মাছ আর কোথাও কিচ্ছু নেই। সে এক অদ্ভুত অনুভূতি। কাচের মত ওর স্বচ্ছ লাল চোখ আমার চোখ ছুঁয়ে যাচ্ছিল। তারপরই দেখলাম সেই ভয়ংকর দৃশ্য। মাছটা লেজ নাড়তেই দেখি নিচে জলের তলায় শংকর দাদা ভাসছে। সাদা ন্যাতানো ভিজে কাগজের মত শংকর দাদা।এরপর আমার আর কিচ্ছু মনে নেই।জ্ঞান যখন ফিরল তখন আমি হাসপাতালের বিছানায়।

দাদার আর পৈতে হয়নি সেবার।জ্ঞান ফেরার পর শংকর দাদাকে স্বশরীরে দেখেও আমার বিশ্বাস হচ্ছিল না ও বেঁচে আছে। শংকর দাদা আমার বড় মামার ছেলে।পরের বছর আমার জন্মদিনে ও আমাকে Fairy tale collection of Hans Christian Anderson বইটা দিয়েছিল। বইয়ের ভেতরে লেখা ছুঁটকিকে ভুঁত দাঁদার উঁপহার । সে বই আজও আমার কাছে আছে।একানব্বইয়ের ঘূর্ণিঝড়ে শংকর দাদা মারা যায়।মহেশখালি বেড়াতে গিয়েছিল বন্ধুদের সাথে। আমার তখন আট চলছে। লাশ ভেসে উঠেছিল তিন দিন পরে। মাছেরা বাঁ চোখ ঠুকরে খেয়ে নিয়েছিল। চেনা যায়না, ন্যাতানো কাগজের মত নয়–ফুলে ফেঁপে ঢোল! আমি দেখিনি, শুনেছি। আমরা তখনও কুমিল্লায়। আমার মাছ দেখার সেই ব্যাপারটা আত্মীয় স্বজনের মুখে মুখে ফিরছিল আবার। ভাগ্যিস কুমিল্লায় আমাদের কাছের কেউ ছিল না!

শংকর দাদা মারা যাওয়ার পর আমি ভয়ে জলের ধারে যেতাম না।মনে হত এই বুঝি মাছটা খলবলিয়ে উঠবে।ফিটের ব্যামোটা তখন থেকে। বাবা নিয়ে গিয়েছিল, দাদু দাদু চেহারার সেই সাইকাইয়াট্রিস্টের কাছে, “তুমি ভাবছ দেখছ আসলে কিন্তু দেখছ না। মৃত্যুটাতে মাছের কিছু করার নেই, কাকতালীয়’। ফেরার পথে বাবা ‘কাকতালীয়’ মানে বোঝাতে রাজ্যের গল্প বলেছিল আর আমি বুঝে গিয়েছিলাম মাছটাকে আমার মগজেই রাখতে হবে বলা যাবে না কাউকে।

মাছটাকে ফের দেখেছিলাম আমার ষোল বছরের জন্মদিনের ঠিক আগের দুপুরে। মায়ের কলেজের বনভোজন ছিল সেদিন।ফেরার পথে ভাইস প্রিন্সিপাল ম্যাডামের শ্বশুর বাড়ি গিয়েছিলাম আমরা। বিশাল বাড়ি। অনেক ফলের গাছ। ম্যাডামের বর পেশায় ডাক্তার; প্রচুর মালদার। আমাদের করমচা গাছ দেখাতে নিয়ে গেলেন দিঘির পাড়ে। সবুজ টলটলে জল। চারধার ঘিরে দাঁড়ানো গাছেরা যেন আয়নায় ঝুঁকে নিজেদের দেখছে। হঠাৎ ল্যাজ ঝাপ্টে মাঝ পুকুরে ভেসে উঠেছিল মাছটা। রুপোলি আঁশ চকমক করছে। তারপর একটা মুখ মাছটার ঠিক ওপরে। ভীষণ মিষ্টি। সোনালি চুলের রূপকথার রাজকন্যার মত। লাল শাড়ি পরা। পলক না ফেলতেই মিলিয়ে গেল মাছ, মিলিয়ে গেল রাজকন্যা। সংবিৎ ফিরে পেতেই দেখি আমার উপর পাঁচ ছ’জোড়া উৎসুক চোখ। মাকে ভীষণ ভড়কে দিয়েছিলাম আমি, দাদা তখন নিউইয়র্কে। পরের বছর দাদা অনেক ছবি পাঠিয়েছিল।ওর বন্ধুদের ভিড়ে একটা মুখ দেখে আমার হাত পা শক্ত হয়ে গিয়েছিল। সেই লাল শাড়ি পরা সোনালি চুলের জলের ওপর ভাসা রাজকন্যা! দাদার গা ঘেঁষে দাঁড়ানো–সামান্তা। গত বছর ওরা বিয়ে করেছে। এ বছর গ্রীষ্মে দেশে আসবে।

দশ বছর আগে সেই বিকেলে বাবা ছাদে গেয়েছিল, “মেঘ বলেছে যাব যাব”। খুকু মাসি গলা মিলিয়েছিল “রাত বলেছে যাই”। আমিও গেয়েছিলাম কিছু একটা।তারপর এক সময়ে ঘর সাজাতে নেমে গিয়েছিলাম নিচে। বাবার পঞ্ছাশ বছরের জন্মদিন।রাতে খুব কাছের ক’জন খেতে আসার কথা।মা সরষে ইলিশ রাঁধছিল রান্নাঘরে। গরমে ঘেমেনেয়ে একাকার। সন্ধ্যে মিলিয়ে রাত নামছে, লোকজন এল বলে! বাবা আর খুকু মাসি তখনও ছাদে। ছাদে পা রাখতেই অন্ধকারের বুনো গন্ধটা নাকে জোর ঝাপটা দিয়েছিল। জলভরা একলা মেঘটা চাঁদকে ছেড়ে যেতেই অবাক আমি দেখলাম রাতের গল্পটা কী বিচ্ছিরি সত্যি হয়ে দাঁড়িয়ে আছে সামনে। আমার প্রিয় বাবা আমার প্রিয় মাসিকে জড়িয়ে তখনও! ছুটে নেমে এসেছিলাম নিচে।

বাবা এসেছিল ডাকতে। আমি তখনও বাথরুমে, জোরে কলের জল ছেড়ে বুক ভাসিয়ে কাঁদছি।পঞ্চাশটা মোমবাতি আমি আর দাদা ভাগ করে জ্বালাবার কথা!

বেরোবার আগে বাবা মাকে বলেছিল, ‘এখুনি আসছি’। বাবা ফেরেনি আর।পরদিন বাবার লাশ পাওয়া গিয়েছিল মর্গে। গলা কাটা লাশ। ট্রেনের নিচে কাটা পড়েছিল আমার বাবা। পঞ্চাশটা মোমবাতি কেকের পাশে তখনও; টেবিলে।

খুকু মাসির ভাল বিয়ে হয়েছিল; রাঙামাটিতে। দুই ছেলে। ভরা সংসার।

অনেকবার ভেবেছি মাকে বলি সেই রাতটার কথা।বলা হয়নি, বলতে পারিনি।

দিন সাতেক আগে এক ভর দুপুরে খুকু মাসি এসে হাজির। প্যাঁচ কাটা কলের মত স্বামী, ছেলে, বাড়ির বেড়াল সবার গল্প করেই যাচ্ছিল, থামাথামি নেই। মা’র জন্যে আর আমার জন্যে শাড়ি নিয়ে এসেছিল। খুকু মাসির বরের শাড়ির ব্যবসা। আমার শাড়িটা হাল্কা সবুজ রঙের, পাড়ের কাছে গাঢ় সবুজ সুতোর নক্সা। বুকটা ধক্‌ করে উঠেছিল, “সবুজ আমার রঙ নয়”। মা ভীষণ বিরক্ত হয়েছিল, “কেউ কিছু দিলে নিতে হয়”। খুকু মাসি বেশ মাখো মাখো গলায় বলেছিল, “তোকে পেঁয়াজ রঙ মানায় ভাল,পাঠিয়ে দেব”। 


কথা রেখেছে খুকু মাসি, আমার জন্মদিনও মনে রেখেছে। শাড়িটা এসেছে দুদিন আগে- পেঁয়াজ রঙের সিল্কের শাড়ি সাথে কার্ড। কাল আমার জন্মদিন তবে দশ বছর ধরে আমাদের বাড়িতে কারো জন্মদিন করা হয় না, খুকু মাসি জানে।

খুকু মাসির কপালের পাশের কাটা দাগটা এখনও আছে! বাবার লাশটা যখন মর্গে সবে সনাক্ত করে ফোন দিল মেজ মামা, মা বিলাপ করে কাঁদছিল আর খুকু মাসি জ্ঞান হারিয়ে পড়ে গিয়েছিল মেঝেতে। টেবিলের কোণে লেগে কপালের ডান পাশটা কেটে গিয়েছিল। সেইদিন সেই হই হট্টগোলে আমি স্পষ্ট শুনতে পাচ্ছিলাম বাবা গাইছে “রাত বলেছে যাই”।

সে দুপুরে মা কী অনায়াসে খুকু মাসির সাথে কথা বলছিল হেসে! মা কি অন্ধকারের গল্পটার কোন তাল খুঁজল না ইচ্ছে করেই? আমার আনমনা বাবা পা হড়কে পিছলে গেছে ট্রেনে, মা কি আসলেই বিশ্বাস করেছিল সে কথা?

মাছটা এখনও আমার দিকে চোখ মেলে তাকিয়ে আছে। গন্ধটা মিলিয়ে গেছে কখন টের পাইনি আমি । ও আমার মগজে না বাইরে হাত বাড়ালেই জানা যায় খুব সহজে।জানতে ইচ্ছে হচ্ছে না।

“যা ভাবছ তা না” বাথরুমের দরজায় টোকা দিয়ে বাবা বলছিল বারবার। আর আমার মাথার ভেতর সেই বুড়ো সাইকাইয়াট্রিস্ট দাড়ি নেড়ে সংগত করছিল “কাকতালীয়”।

সিলিঙ ফ্যানটা টানছে আমাকে। সবুজ নয় খুকু মাসির দেয়া গোলাপি শাড়িটাই পরব আমি। নখে আমার নেইল পলিশ থাকবে না। শুধু লিখে যাব “রাত বলেছে যাই” – খুকু মাসির জন্যে। মাছটা দেখবে আমি দুলছি : একবার এদিক আরেকবার ওদিক!

4 thoughts on “রঞ্জনা ব্যানার্জী’র গল্প : মাৎস্য

  • September 7, 2017 at 4:11 pm
    Permalink

    অসামান্য গল্প!

    Reply
    • September 12, 2017 at 10:42 pm
      Permalink

      ধন্যবাদ।

      Reply
  • September 7, 2017 at 5:04 pm
    Permalink

    আপনার লেখা যে আগে পড়ি নি সে আমার দুর্ভাগ্য। এই লেখা পড়ে নতশিরে স্তব্ধ হয়ে আছি… আমার শ্রদ্ধা রেখে গেলাম

    Reply
  • September 12, 2017 at 10:42 pm
    Permalink

    ধন্যবাদ ।

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *