জাদু বাস্তবতার জাদুকরের গল্প

লীনা দিলরুবা
সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারজয়ী দুই লাতিন আমেরিকান কথাসাহিত্যিক কলাম্বিয়ান গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ এবং পেরুর মারিয়ো বার্গাস ইয়োসা ১৯৬৭ সালের সেপ্টেম্বরের পাঁচ ও সাত তারিখে ভেনিজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে পরস্পরের সঙ্গে এক দীর্ঘ আলাপচারিতা সারেন। এটি ছিল একটি সাহিত্যিক আলোচনা।
স্পেনীয় ভাষায় যারা সাহিত্য রচনা করেন তাঁদের মধ্যে কার্লোস ফুয়েন্তেস-এর সঙ্গে সমভাবে যে দুজনের নাম উচ্চারিত হয়, তারা এ-দুজনই। সেপ্টেম্বরে, যখন এই দুই কথাসাহিত্যেকের মধ্যে সাক্ষাতের ঘটনা ঘটছে সে-বছরই জুনে প্রকাশিত হয়েছে মার্কেজের পৃথিবী বিখ্যাত এবং সাহিত্যের ইতিহাসের বাঁক বদলের উপন্যাস– নিঃসঙ্গতার একশবছর। এদের এই আলাপচারিতা তখন গ্রন্থাকারে প্রকাশ করেছিল প্রকাশনা সংস্থা– কার্লোস মিইয়া বাত্রেস। ১৯৭৬ সালে মার্কেজ এবং ইয়োসার মধ্যে ব্যক্তিগত কলহ বাধার কারণে গ্রন্থটির এস্পানিয়াল সংস্করণ আর প্রকাশিত হয়নি। বাংলা তর্জমাকারী রফিক-উম-মুনির-চৌধুরী গ্রন্থের ভূমিকায় লিখেছেন — তাঁর জানামতে এর কোনো ইংরেজি অনুবাদও নেই, বাংলায়-ও নয়। গ্রন্থটি এস্পানিয়াল থেকেই সরাসরি বাংলায় অনুদিত হয়েছে। সুতরাং বোধগম্য যে, এতে মূলানুগ বজায় থাকার কাজটি সম্পন্ন হয়েছে। এ-কথা সঠিক যে, রফিক-উম-মুনীর চৌধুরী গ্রন্থটি অনুবাদ করে সাহিত্যের উপকার করেছেন। ইতিপূর্বে এই অনুবাদক লাতিন আমেরিকান সাহিত্যকে বাংলাভাষী পাঠকের সঙ্গে পরিচিত করতে অনেকগুলো উদ্যোগ নিয়েছেন। এই গ্রন্থটি সেই প্রয়াসেরই একটি চলমান প্রক্রিয়া বলে মনে হয়। গ্রন্থটির নাম দেয়া হয়েছে: মারিয়ো বার্গাস ইয়োসার মুখোমুখি গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ। বইটির বাংলাদেশে প্রকাশক: সংবেদ। 
আগেই বলেছি, তাদের আলোচনার বেশিরভাগ অংশই ছিল সাহিত্যিক আলোচনা। নিঃসঙ্গতার একশ বছর নিয়ে ছিল বিস্তারিত এবং সার্বিক একটি পর্যালোচনা। সাক্ষাৎকারটি যখন গ্রহণ করা হচ্ছে দুজনার কেউই তখনো নোবেল পুরস্কার লাভ করেন নি। উত্তর মূলত মার্কেজই দিয়েছেন। প্রশ্নকারী অনুজ লেখক ইয়োসা। 
এই আলাপচারিতায় মার্কেজের জীবনদর্শন, তাঁর লেখালেখির অনুপ্রেরণায় যেসব বিষয় সম্পৃক্ত ছিল- সেসব, ম্যাজিক রিয়েলিজম, লাতিন আমেরিকান সাহিত্যের গতিধারা, মার্কেজের লেখা বিভিন্ন উপন্যাসের কাঠামো নির্মাণ পদ্ধতির প্রাসঙ্গিক আলোচনাসহ অনেক কিছুই স্থান পেয়েছে। আলাপচারিতায় মার্কেজ উপন্যাসের কাঠামো নির্মাণের জন্য ভাষার ভূমিকা নিয়ে তাঁর নিজস্ব অনুধাবন তুলে ধরেছেন। বলাই বাহুল্য, একজন কথাসাহিত্যকের লেখা প্রতিটি উপন্যাস আলাদা আলাদা প্লটের হয়ে থাকে। মার্কেজ বলতে চান, প্লটের বা গল্পের ভিন্নতার মতো এদের ভাষাও হবে আলাদা। তিনি বিষয়টা এভাবে বলেছেন- ‘প্রতিটি বিষয়ের জন্য এমন একটি ভাষার প্রয়োজন যা বিষয়টির সঙ্গে যাবে এবং প্রয়োজনে খুঁজে বের করতে হয় সে ভাষা।’ কাহিনির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ভাষার উদাহরণ দিতে গিয়ে মার্কেজ তাঁর সিগনেচার গ্রন্থ ’নিঃসঙ্গতার একশবছর’ বইটার প্রসঙ্গ টানেন। তাঁর মতে, তিনি মনে করেন না যে এই উপন্যাসটির ভাষা তাঁর লেখা পূর্ববর্তী উপন্যাসগুলোর তুলনায় সমৃদ্ধশালী। বরং এর ভাষাটি ছিল ভিন্ন। একইসঙ্গে, ভাষাটি তাঁর লেখা অন্য উপন্যাসের তুলনায় উন্নতমানের কি না সেটিও তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল না বরং ব্যবহৃত ভাষাটি নিঃসঙ্গতার একবছরের কাহিনীর জন্য উপযুক্ত ছিল বলেই এ ভাষাটি ব্যবহার করা হয়েছিল।
তাদের আলাপ অনুসরণ করলে ধারণা করা যাবে, মার্কেজ সাহিত্যের জন্য কতোটা নিবেদিতপ্রাণ ছিলেন। পূর্ববর্তী লেখক এবং অনুজদের জন্য তাঁর মনোযোগ ছিল সমান মাত্রার। তিনি সেই উন্নাসিক লেখক নন যারা অন্য কারো লেখা পড়েন না, বা লেখকদের সাফল্যে ঈর্ষার আগুনে পুড়ে তারা কি লিখছেন সে সম্পর্কে খবর রাখনে না। অগ্রজদের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ’আমি অবিবেচক হতে চাই না। আমি বলব এঁরা সকলেই জমিটা তৈরি করেছেন বেশ ভালোভাবে আর আমরা যারা পরে এসেছি তাদের জন্য সে-জমিতে কোনো কিছু রোয়ানোর কাজটা অনেক সহজ হয়েছে।’ অন্যদিকে নবীনদের সম্পর্কে তাঁর মনোযোগ প্রদর্শন প্রসঙ্গে একটি উদাহরণ দেয়া যায়- প্রিমেরা প্লানা সুদামেরিকানা সাহিত্য পুরস্কারের অন্যতম বিচারক হিসেবে কাজ করতে গিয়ে তিনি পঁচাত্তরটি অপ্রকাশিত উপন্যাসের পাণ্ডুলিপি পড়ে শেষ করেছিলেন। একজন সিনিয়র লেখক জুনিয়দের সাহিত্য পুরস্কার দিতে গিয়ে যে-মাত্রার নিষ্ঠা প্রদর্শন করেছিলেন সেটি অনুস্মরণীয়। সমসাময়িক লাতিন আমেরিকান লেখক হোর্হে লুইস বোর্হেস এর মতাদর্শের সঙ্গে তাঁর বিরোধ থাকলেও মার্কেজ প্রতি রাতে বোর্হেস-এর লেখা পড়তেন এবং বুয়েনোস আইরেস থেকে তিনি একবার একটিমাত্র জিনিস কিনেছিলেন তা হল বোর্হেসের রচনা। 
ইয়োসা এক পর্যায়ে মার্কেজের উপন্যাসের নির্জনতার বিষয়টির অবতারণা করেন। ইয়োসা বলেন, তোমার সমস্ত গল্প-উপন্যাসে অনেক চরিত্রেরা ভীড় করে থাকে বা বইগুলি জনাকীর্ণ, কিন্তু, বইগুলির প্রগাঢ় উপাদান বা খোরাকটি হল, নিশ্চিত করে বললে, নিঃসঙ্গতা বা একাকিত্ব। মার্কেজ এই প্রশ্নটির উত্তর এভাবে দেন, ’এ প্রশ্নের জবার দেবার আগে আমি একটু পেছনে যাবো। বাস্তবে আমি এমন কাউকেই চিনি না যিনি কোনো ভাবেই একাকিত্বে ভোগেন না। একাকিত্বের এ দিকটি আমাকে খুব টানে। আশঙ্কা হয় এটা তত্ত্বজ্ঞান ও প্রতিক্রিয়াশীল হয়ে যায় কিনা আর আমি যা, বাস্তবে আমি যা হতে চাই তার উলটোটা বুঝায় কিনা, কিন্তু আমি মনে করি মানুষ সম্পূর্ণভাবে একা।’ মার্কেজের বোধের এ জায়গাটি নিয়ে ভাবতে গেলে আমাদের বাঙালি পাঠকের মনে পড়ে যাবে বাংলাদেশের শক্তিমান কবি আবুল হাসানের কথা। যিনি তাঁর কবিতায় লিখেছিলেন, ’অবশেষে জেনেছি মানুষ একা। জেনেছি মানুষ তার চিবুকের কাছেও ভীষণ অচেনা ও একা।’ 
এটা কী বোধের সঙ্গে বোধের মিল? দুটি ভিন্ন দেশ, দুটো প্রজন্ম, হয়তো কেউ কাউকে কখনো দেখেনও নি। কিন্তু বাংলাদেশের কবি আবুল হাসানের সঙ্গে কলাম্বিয়ান লেখক গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ-এর ভাবনার কী অসাধারণ সামঞ্জস্য! এই ভাবনার আর চিন্তার প্রবাহমানতা নিয়ে মার্কেজ ইয়োসার সঙ্গে এই আলাপাচারিতাই কথাসাহিত্যিকদের গল্প-উপন্যাসের চরিত্রের প্রবাহমানতা নিয়ে চমৎকার একটি তাত্ত্বিক চিন্তার উন্মেষ ঘটিয়েছেন। মার্কেজ বলেন, ’ঠিক জানি না এ কথাটা সোফিজম-এর মত শোনাবে কিনা যদি তোমাকে বলি যে লেখকদের মধ্যে তফাতের মধ্যেই রয়েছে তাদের মিল। বিষয়টি একটু ব্যাখ্যা করছি। লাতিন আমেরিকান বাস্তবতার নানা দিক রয়েছে এবং আমার ধারণা আমরা প্রত্যেকেই যার যার মত করে এ বাস্তবতার বিভিন্ন দৃষ্টিকোণকে তুলে ধরার চেষ্টা করছি। এভাবে দেখলে, আমার মনে হয়, আমরা সবাই মিলে যা করছি তা হল সবাই একটিই উপন্যাস লিখছি।’ এর পর মার্কেজ তিনি সহ লাতিন আমেরিকান কিছু উপন্যাসের এবং লেখকদের প্রসঙ্গ টানেন যাঁরা তাদের উপন্যাসে গোচরে বা অগোচরে উপন্যাসের চরিত্র ভাগাভাগি করেছেন। অর্থাৎ চরিত্র এখানে প্রবাহমান হয়েছে ভিন্ন ভিন্ন লেখকের ভাবনায়। মার্কেজ ইয়োসাকে বলেন, তোমার কি এটা অদ্ভুত বা কাকতালীয় মনে হয় না যে যখন তুমি সিয়েন আনিয়োস দে সোলেদাদা(নিঃসঙ্গতার একশবছর) উপন্যাসে একটি চরিত্রের দেখা পাও যে বিশটা ঘুরে দেখবে আর তার ভ্রমণে বিক্তোর হিউজেসের ভুতুড়ে জাহাজের দেখা পাবে, যে বিক্তোর হিউজেস আসলে আলেহো কার্পেন্তিয়েরের এল সিগলো দে লাস লুসেস । আর একটি চরিত্র আছে, যার নাম কর্ণেল লোরেনেআ গাবিলান, যে কার্লোস ফুয়েন্তেসের লা মুয়ের্তে দে আর্তোমিয়ো ক্রুস উপন্যাসের চরিত্র। সিয়েন আনিয়োস দে সোলেদাদ -এ আর একটি চরিত্র রেখেছি আমি যে বাস্তবের কোনো চরিত্র নয় বরং একটি প্রসঙ্গ। এ চরিত্রটি প্যারি গিয়ে র‌্যু দোঁফার একটি হোটেলে থাকে, ঠিক একই কক্ষে যে কক্ষে মারা গিয়েছিল রোকামাদুর কোর্তোসারের রাইউয়েলা উপন্যাসের চরিত্র। তোমাকে আরও একটি কথা বলতে চাই, এবং তা হল আমি পুরোপুরি নিশ্চিত যে শেষ আউরেলিয়ানোকে একটি ছোট ঝুড়িতে করে যে সন্ন্যাসিনী নিয়ে যায়, সে হল তোমার লা কাসা উপন্যাসের মাদার পাত্রোসিনিয়ো…।’ 
লক্ষ্যণীয় বিষয়, মার্কেজ যে অনুধাবনের মাধ্যমে তাঁর নিজের উপন্যাসের চরিত্রদের লাতিন আমেরিকান অন্য আরেকজন কথাসাহিত্যিকের উপন্যাসে ব্যবহৃত হওয়াকে যেভাবে অনুমোদন করেছেন, এবং নিজেও অন্যদের উপন্যাসের চরিত্র গ্রহণ করে তাকে প্রবাহমান রাখার যে তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন সেটি একইসঙ্গে কথাসাহিত্যের ভুবনে একটি নতুন ডাইমেনশনের জন্ম দিয়েছে। পাশাপাশি এটি একটি সমমনা সাংস্কৃতিক-রাজনৈতিক বলয়ে অবস্থানকারী লেখকদের সেই বলয়ের কৃষ্টি এবং সংস্কৃতিকে বলিষ্ঠ আর বেগবান করার চেষ্টাকেও তুলে ধরে। মার্কেজের চিন্তাপ্রসূত কথাসাহিত্যের এই বিষয়টি নিয়ে ভাবতে গিয়ে বাংলা ভাষার লেখকদের উপন্যাসের চরিত্রের প্রবাহমানতা নিয়ে একই পদক্ষেপ দেখার স্বপ্ন আর কল্পনা আমার মধ্যে জাগ্রত হল। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস বিষবৃক্ষে-র চরিত্র কুন্দনন্দিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা উপন্যাস বৌ ঠাকুরণীর হাট এ প্রবাহমান হলে কি আচরণ করতো, সেটা কী রবীন্দ্রনাথের বৌ ঠাকুরণীর হাট এর কাহিনীর ধরন আর গঠনে ভিন্ন কোনো ছাপ অঙ্কিত করতো ! এই দুই উপন্যাস রচনার কাল ছিল দশবছরের ব্যবধানের। সুতরাং বলাইবাহুল্য তখনকার পশ্চিমবাংলার সাংস্কৃতিক আর রাজনৈতিক সংস্কৃতি ছিল প্রায় একইরকম…।
এক পর্যায়ে ইয়োসা মার্কেজকে বলেন এবং প্রশ্ন করেন, ’সমাজের প্রতি লেখকের একটি দায়বদ্ধতা আছে যা শুধুমাত্র তার সাহিত্যকর্মেই প্রতিফলিত হবে না উপরন্তু তার একটি রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিও থাকবে। এ বিষয়ে তোমার ব্যক্তিগত অবস্থান কী সেটা যদি একটু খুলে বল। তোমার রাজনৈতিক ও সাহিত্যিক দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্কটি যদি একটু আলোচনা কর।’
মার্কেজ নিজের মনোভাব এভাবে জানান, …’কেবল নির্ভুল ও চমৎকার গদ্য লেখাটাই তার কাজ নয়, ভালো লেখাটাও তার দায়িত্ব। আন্তরিকতার সঙ্গে লেখার কথা আমি বলছি না, বলছি তার দৃঢ় বিশ্বাসের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে লেখার কথা।’ 
একটি উপন্যাসে কি থাকতে হবে সে বিষয়ে মার্কেজ বলেছেন, একটি উপন্যাসে সব কিছুই থাকতে হবে: মতবিশ্বাস, আচ্ছন্নতা, ঐতিহ্য, কিংবদন্তি, পুরাণ…। মার্কেজ বলেন, আন্তরিক হলে উপন্যাসের সঙ্গে পাঠকের সংযোগ বাড়বে এবং একটি অভিঘাত সৃষ্টি হবে। 
আমরা প্রায়শ লেখকদের কাছে জানতে চাই, আপনি দিনের কোন সময় লেখালেখির কাজটি করেন? ইয়োসাও মার্কেজকে এরকম একটি প্রশ্ন করলে মার্কেজ এর চমৎকার উত্তর দিয়েছেন। তিনি বলেছেন ’তুমি খুব ভালো করেই জানো যে একজন ক্লান্ত মানুষ লিখতে পারে না… দিনের সবচেয়ে ভালো সময়টি, মনে-প্রাণে-শরীরে সবচেয়ে চলমান অবস্থায় সাহিত্য রচনা করতে হয়, এবং ব্যাপারটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’
গ্রন্থটি সবপ্রজন্মের লেখক-পাঠকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। মার্কেজ যেভাবে স্থির মনোযোগে থেকে তাঁর লেখালেখির পরিক্রমা সম্পন্ন করেছেন সেটি কোনো বিচ্ছিন্ন ভাবনার মাধ্যমে ঘটেনি। তিনি সবকিছুর মূলে প্রবেশ করে ভাবতে পেরেছিলেন এবং নিরন্তর চর্চার মধ্যেই ছিলেন। আর প্রমাণিত যে, এরপর তিনি যে কথাসাহিত্যের জন্ম দিয়েছেন সেটি তো এখন ইতিহাস।

2 thoughts on “জাদু বাস্তবতার জাদুকরের গল্প

  • November 1, 2017 at 12:48 pm
    Permalink

    অসাধারন

    Reply
  • November 1, 2017 at 12:49 pm
    Permalink

    অসাধারণ

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *