সাগুফতা শারমীন তানিয়া’র গল্প : যেতে যেতে যেতে

রুপকথা আমার বড় ভাললাগে। লোকে ভাবে, অলস লোকে অমনই হয়। কেবলমাত্র রুপকথাতেই রাত পোহালে বুদ্ধি বাড়ে, একরাতে শিমগাছ মেঘের রাজ্যে পৌঁছে যাবার মতো দীর্ঘ হয়ে যায়, রাজার লুঠ করে আনা দুঃখিনী মেয়ে এক ঘুম দিয়ে উঠে দেখে তার সব সুতো কোনো অদৃশ্য সুতোকাটুনি কেটে দিয়ে গেছে। রুপকথাতে বেঙ্গমা-বেঙ্গমী রাজপুরুষের বেশে রাজকন্যাকে দেখলেও গাছের ওপর বসে বসে বডিশেমিং তো করে না, ক্রসড্রেসিং-এর কারণে গঞ্জনাও দেয় না, ভালমানুষের মতো ভবিষ্যতে কার্যসিদ্ধির উপায় বাতলে দেয়। এমন বন্ধু আর কে আছে! একবার বলতে গেছিলাম, একই কারণে ধর্মকথাও আমার ভাললাগে, এই হাত-ইশারায় চন্দ্রভাগ বা নীলনদ-ভাগ, এই ক্রুশে গিয়ে ফিরে আসা, এই যুদ্ধের ময়দানে মুখের ভেতর আলগোছে তেলাপিয়ার ডিমগুচ্ছের মতো করে বিশ্বরূপ লুকিয়ে রাখা…সব ভাললাগে, কেবল ওসবেই আজকাল শুভ অপরাজিত আছে, দুর্বল জয়ী হয়ে আছে। কিন্তু এখানে সে কথা কইবার নয়, ও থাক। মোটের ওপর বুঝতে পারলেন নিশ্চয়ই, যে, তরিয়ে দিলেই আমার পোষায়। এই আতান্তরের বাস্তব আমার এক্কেবারে ভাললাগে না। অতএব রুপকথার জন্যে আমার দীর্ঘ অপেক্ষার গল্পটা আপনাদের বলেই ফেলি।
ছোট্টবেলায় রুশীরা তাদের রুপকথায় শুনিয়েছিল যে তাদের উত্তরাঞ্চলে সোহাগী গ্রীষ্মে পূর্বে আর পশ্চিমে একইসাথে গোলাপী আলো জেগে থাকে, একটা সূর্যাস্তের আরেকটা সূর্যোদয়ের, সেই দেশ তাই রুপকথার। তাদের রুপকথার রাজকন্যার হতো আবলুশকাঠের মতো কালো চুল, নইলে সোনার জরির মতো চুল, পুরু তোয়ালের মতো সেই চুল পড়ে থাকতো ঘাড়ে-পিঠে। অতএব সারা ঘর খুঁজে কালো তোয়ালে না পেয়ে একটা বিচ্ছিরি হলুদ তোয়ালে মাথায় দিয়ে ছোট্টবেলায় আমি ভাবতাম এই আমার সোনালি চুল, বুঝলেন, তারপর ঘুমের ভান করে পড়ে থেকে রাজপুত্রের অপেক্ষা করতাম। ঘুম না এলে ভাবতাম, যে তোশকে পড়ে আছি, সে তোশকের তলায় মটরশুঁটি থাকলে টের পাবো তো? একটিমাত্র রাজপুত্র আসবে বলে অপেক্ষায় থেকে থেকে মেয়েশিশুরা কত কত রাজা-গজা-কোতোয়ালের হাতে পড়ে, ‘হাতে পড়া’-টা যদি কেমন শোনায় তবে বলবো— আপনা থেকেই যায়। যাই হোক, রাজপুত্র নিজে ঘোড়ায় চেপে না এলে রাজকন্যারা নিজেরাই ঘোড়ায় চেপে (সাইড-স্যাডলে নয় কিন্তু, ওসব রুপকথায় থাকে না) দিগ্বিজয়ে বেরিয়ে যায়, সেটা তো নিশ্চয়ই দেখেছেন। মনে ভাবি, সেই দিগ্বিজয়ের নাম ‘আত্মানং বিদ্ধি’। সেখানে শরীর রথ, বুদ্ধি সারথী, আর মন পরিচালিকা রজ্জু। এই দেখলেন, আবার রুপকথা থেকে ধর্মকথায় চলে এলাম। আগেই তো বলেছি, রাজকন্যারা রাজপুত্রকে উদ্ধার করে, নিজেই রাক্ষসীর গুষ্টিনাশ করে, এমনটা বাস্তবে ঘটবার অনেক আগেই রুপকথায় ঘটে গেছে; এমনি কি আর ভাললাগে বলুন!
মুশকিল হচ্ছে, রুপকথার পটভূমি তো থাকা চাই, নইলে কীসের রুপকথা। এই চা-খানা, লন্ড্রি, ‘হাতের লেখা ভাল করুন’, স্টিমারজেটি, অ্যামিউজমেন্ট পার্ক, স্টেশনের সামনে আখপাতার ছড়াছড়ি, ‘এখানে প্রস্রাব করিবেন না’… এসব হট্টগোলের ভেতর হলদে-কালো কোনো তোয়ালের মতো একঢাল কেশ এলিয়ে বসে থাকলেও পক্ষীরাজ ঘোড়ায় চেপে কেউ আসবে না। তার জন্য চাই নিবিড় বন বুঝলেন, নিশ্ছিদ্র অরণ্য, ধর্মপুরুষরা যে রকম বনে আগুন দিয়ে ময়দানবকে ধরেছিল। আরো মুশকিলের কথা এই, লোকে বনে আগুন দেবার কথা শিখেছে, বন যে থাকতে হয় সেসব গেছে ভুলে। এখন বলুন, বন নইলে বেঙ্গমা বেঙ্গমী ঝলসানো কোনো ডালেও কি বসতে পারে? বন ছাড়া বনবাসিনী হয়? বন ছাড়া কি আর বনের মাঝখানটিতে ঘুমন্ত রাজপুরী হয়? অ্যান্ডারসন সাহেবের রুপকথাটাই ধরুন, বনরাজি বসন্তে স্নিগ্ধ হয়ে উঠবার কালেই কি না সরোবরের আয়নায় মুখ দেখে কুচ্ছিত হাঁসের ছানা টের পেল সে হয়ে উঠেছে মনমোহিনী রাজহাঁস। অ্যান্ডারসন সাহেবের কথা উঠলো বলেই একটা কথা বলে রাখছি, দেখবেন এই আমার মতো বাপে-খেদানো, মায়ে-তাড়ানো, স্যারে-কেলানো ছেলেমেয়েরাই এমন উপর্যুপরি রুপকথা-রোগে ভোগে। যেমন হান্স ক্রিশ্চিয়ন অ্যান্ডারসন। যেমন এই অধম।
শুনুন, এই বলে রাখলাম, পরে বেঙ্গমীর ভাষ্যের মতো করে মিলিয়ে নেবেন, বন চলে গেলে রুপকথা তো যায়ই, সঙ্গে আরো কিছু যায়। রুপকথা চলে গেলে মানুষে মানুষে মর্মস্পর্শী বিরহ-বিচ্ছেদ এইসব চলে যায়, ভালবাসাও যায়। ঐ যে অ্যান্ডারসনের ছোট্ট মৎস্যকন্যা, ভেবে দেখুন, সে লেজ হারালো জিভ হারালো প্রাণ হারালো একটিমাত্র পুরুষকে ভালবেসে…এসব রুপকথা আমাদের ছোটবেলায় আততায়ীর মতো এসে হানা দিয়েছিল মনে আছে? মনে আছে, অবচেতনে এ’সব গল্পই শিখিয়ে গেছিল—ভালবাসলে ভাষ্য বদলাতে হয়, জীবন বদলাতে হয়, মরেও যেতে হয়? পাবেন আর এমনটি খুঁজে? রুপকথা ছাড়া?
রাজ্যপাট আছে, রাজা-রাণী আছে, পেয়াদা আর কোতোয়াল আছে, অথচ রুপকথা নেই এমন দেশে আমি পথে পথে ঘুরেছি। মনোহরণ চপলচরণ রুপকথার খোঁজে। সে কি আর মেলে রে ভাই! ঢাল-তরোয়াল পাবেন, অথচ রাজার মতো কলজে পাবেন না, যে রাজা পাতাকুড়ুনির ছেলের মুখ দেখে সকালবেলা নিজের মেয়ের বিয়ে দিয়ে দেবার মতো শ্রেণীজ্ঞানহীন, যে একবাক্যে রাজ্যপাট ত্যাগ করে ঐ ‘আত্মানং বিদ্ধি’ করতে চলে যাবে। নেই জেনেও এমনটি খুঁজি। কেননা আমরা সেইসব ছেলেমেয়ে যারা যাদুকরের বাঁশি শুনে পিলপিল করে বের হয়ে এসেছিলাম নগরপিঞ্জর থেকে, যে যার বালাপোশের ঢাকনা থেকে, ভালবেসে চিরকুট লিখলেও আমরা লিখেছি, “তোমার নামে চাঁদের ছাঁচে একটা দীঘি কাটাবো আমি, একটা জলসত্র খুলব, তোমার জন্মদিনে খুলে দেব বাদশাহী তোশাখানা।” রুপকথার হাতে অনন্যোপায় বন্দী প্রজন্ম আমরা, সামরিক জান্তাদের ছায়াতলে শৈশব কাটিয়েছি যারা, আমাদের রক্তে উল্কির মতো আঁকা আছে রুপকথা, অসম্ভবের গান।
এত নেই-নেই করছি, কিন্তু আসল কথাটাই তো বলছি না। আছে মশাই, আছে জনাব। যেদিন আশপাশে কেউ নেই, সেদিন কালভার্টের ওপরকার রাস্তা ধরে নাক বরাবর চলুন। আমাদের ক্লাবঘরের পিছে যে বাঁধাকপির ক্ষেত ছিল আগে, নিচু এলাকার জলাজমি, ঐ যেখানে এখন জিমখানার মাঠ, যেখানে ওয়ার্ড কমিশনারের ভাইয়ের হাতে খুনখারাবি হয়েছিল কয়েক বছর আগে, সেদিকটা দিয়ে ঢুকবেন। অনেকটা যেতে হবে। না না, রিকশা নেবেন না, পদব্রজেই যেতে হবে। পিছু তাকাবেন না, আশপাশেও তাকাবেন না, ত্রৈলোক্যনাথ যেমন করে বাঘের পিঠে চেপে সুড়ঙ্গ-পার হতে বলেছিলেন, অমনি করে রাস্তাটা পেরুতে হবে। অনেক দূর নাকি অল্প দূর? দেখবেন সরু একটা নদী যায়, তীরের কাছে দুপুরমণির ঝোপ, আর সেখানে বনমানুষ গভীর অভিনিবেশযোগে উইপোকা ধরে ধরে টিপে টিপে খাচ্ছে। বলবেন, মিউনিসিপ্যালিটির ভেতর নদী-ঝোপ-বনমানুষ এতরকমের ঢপ দিচ্ছি! আরে, নিঃসংশয় মন ছাড়া কি আর দেখা মেলে? না রুপকথায়, না ধম্মোকথায়। প্রত্যয় না গেলে কী করে বলি, যে আমি নিজে গেছি সেখানে। চর্মচক্ষে দেখে এসেছি।
একটা খামারবাড়ি আছে ওখানে, চিড়িয়াখানাও বলতে পারেন, মস্ত জায়গা। রয়েসয়ে দেখলেই টের পাবেন যাদুটা কোথায়। শাদাচোখে দেখলে ডোবায় হাজারটা ব্যাঙ ডাকছে—জিজ্ঞেস করুন ওরা কারা। একে অন্যের পিঠে চেপে বুক আঁকড়ে বসে ডিম পাড়তে পাড়তে বলবে— “কেউ নই বাবা কেউ নই, তুমিও কি ‘কেউ নই’? তবে তো আমরা দু’জন একাত্ম”…বুঝলেন? এমিলি ডিকিনসনের ব্যাঙ! ভাবুন তো! ব্যাঙের মৈথুনের মতো প্রকাশ্য, ব্যাঙের সভার মতো সরব আর সম্ভোগান্মুখ ডোবা দেখে চেনা চেনা লাগছে? দেখুন বাংলা-সাহিত্য টেনে কথা কইবেন না, আর হাসাবেন না দোহাই, পা চালিয়ে সামনে চলুন।
সাবধান, কুকুর দেখলে ঘাবড়াবেন না, ভাবতে শিখুন ওটা হয় আইনস্টাইনের কুকুর নয় পাভলভের কুকুর, স্বভাব বিচার করলেই টের পাবেন। কী বললেন, বেড়াল দেখলে ধরে নেবেন পো সাহেবের বেড়াল? বাহ, এই তো দিব্যি প্রশিক্ষিত লোকের মতো কথা বলছেন। পো সাহেবের না হয়ে ওটা সুকুমারবাবুর বেড়ালও হতে পারে, ফ্যাচফ্যাচ করে হাসছে আর রানাঘাট থেকে তিব্বত যাওয়ার সিধে রাস্তা ভাবছে। ওর নাম চন্দ্রবিন্দু কিংবা রুমাল। পুরনো শিমুলগাছটায় খুব কাকের বাসা হয়েছে দেখবেন। এই কাকগুলো আপনার চেনা কি না ঠাহর করে দেখুন তো? ভ্যানগঘের মৃত্যুর আগে গমক্ষেতে এদেরকেই ওড়াউড়ি করতে দেখেছেন কি না! দুর্ভিক্ষের কালে আবেদীনসাহেবের ক্যানভাসেও উড়ে এসেছিল এক ঝাঁক। ডাকলেই এসে নিজের পরিচয় দেবে, আমি ডেকে দেখেছি।
একটা তামাশার কথা বলেই ফেলছি ভাই। দেখবেন তেঁতুলগাছের চিরল চিরল পাতার ছায়ায় একটা জেব্রা চরে বেড়াচ্ছে, আর মাঠময় পড়ে থাকা শিমুলফুল খাচ্ছে। মেদহীন পিঠের খাঁচার তলায় দলদলে পাছা, ওটা লর্ড ক্লাইভের জেব্রার পাছা। এই জেব্রাঘোটকীকে ক্লাইভ নিজের পোষা গাধাটার সাথে মিলনে বাধ্য করেছিলেন, গাধার গায়ে জেব্রার মতো ডোরা এঁকে দিয়েছিলেন তার আগে যেন জেব্রামানবী গাধাটাকে একেবারে গর্দভ না ভাবতে পারে! নির্বিবাদে গাধায় আর জেব্রায় সঙ্গম ভাবতে পারে যে, সে-ই তো জাঁকিয়ে বসবে ভূভারত, তাই না? দুশো বছর শাসন করতে তারাই তো পারবে, যাবার কালে সক্কলকে পৃথগন্ন করে দিয়ে যেতে পারবে। এতদিন ধরে এই জেব্রা আপনাকে এমন একটা আশ্চর্য গল্প বলবার জন্যেই চরে বেড়াচ্ছে।
এখানে একটা ঘোড়া আমার খুব প্রিয় জানেন। ঠোঙায় করে ক’টা আপেল নিয়ে যাবেন তার জন্যে। জেব্রা চরবার মাঠটা থেকে বেশি দূরে নয় আস্তাবল। ঘোড়াটা বড় মার-খাওয়া ঘোড়া। এই ঘোড়াটাকেই মুখ বুঁজে অবিরাম মার খেতে দেখে এক জার্মান সাহেব এসে জড়িয়ে ধরে বলেছিলেন, “আমি তোমায় বুঝতে পারি।” ঐ ঘটনার পর থেকেই অবশ্য সাহেব মানসিক ভারসাম্য হারাতে বসেছিলেন। চিনতে পারলেন কি না বলুন? আরে জনাব, আরে মশাই, নীৎসে সাহেবের ঘোড়া এটা। মানুষ যখন প্রাণীর ব্যথা প্রাণীর কথা আপনার জ্ঞানে বুঝতে পারে, যখন পশুখামারে নিজেদের দেখতে পায়, যখন শাসকের যথেচ্ছাচারে নিজের বংশগতি পরিবর্তিত হয়ে যাচ্ছে টের পায়, যখন স্বাধীন সোচ্চার হবার আহ্বান বুকে পায়, তখন একরকম রুপকথার মুহূর্ত জন্মায়। জন্মায় কি না বলুন? সেভাবে দেখলে এরা প্রত্যেকে এমন একেকটি রুপকথার সাক্ষী। খতিয়ে দেখেছিলাম আমি, এরা প্রত্যেকে যে যার গল্প জানে, এতদিন যে যার গল্প বলবার জন্য বেঁচে আছে। চাইলে জিজ্ঞেস করে দেখতে পারেন। নিজের আদ্যোপান্ত ইতিহাস তো বলবেই, চ্যা-ভ্যা করতে করতে এমনকি জন স্টুয়ার্ট মিল শুনিয়ে দেবে আপনাকে। তবু তো বলবেন, ওসব বাজে কথা, কথা বলা প্রাণী না বুজরুকি! জলবাহিত প্যাথোজেনের মতো চেহারা করে বলবেন, “মানুষেই আজকাল কথা কইতে পায় না, আর জানোয়ারের কথাবার্তা! যত্তোসব ছেলেভুলানি মেয়েভুলানি গাঁজাখুরি রুপকথা!” আহা, রুপকথাই না দেখতে চেয়েছিলেন? যেখানে প্রাণীরা মানুষের ভাষায় কথা বলে? আহা, শুধু কি শুকসারি হীরামন এইসবে কথা কয় নাকি, সক্কলে নিজের গল্প বলতে জানে।
তবে কথা হচ্ছে, ক্লাবঘর আর জিমখানার ওদিকটার পথে যদি মাঠ খুঁজেও পান, দেখবেন শপিং কমপ্লেক্স হবে বলে বরাদ্দ করা জমিন, দেখবেন ময়লা ফেলে বুঁজিয়ে ফেলা ডোবা; তখন কিন্তু আর ঐ চিড়িয়াঘরে যেতে পারবেন না, রুপকথাও খুঁজে পাবেন না, দুষবেন না ভাই, আগেই বলে রাখলাম।
লেখক পরিচিতি
সাগুফতা শারমীন তানিয়া
লন্ডনে থাকেন।
গল্পকার। ঔপন্যাসিক। অনুবাদক

2 thoughts on “সাগুফতা শারমীন তানিয়া’র গল্প : যেতে যেতে যেতে

  • June 15, 2022 at 8:02 pm
    Permalink

    এটা কী গল্প ছিল না কেবল লেখকের নিজে নিজে বলা কিছু মনোলগ। খুব এলোমেলো লাগল লেখাটা, কোনো কাঠামো নেই। ভালো বার্তাবাহী লেখায় কাঠামো থাকাও জরুরি।

    Reply
  • June 16, 2022 at 5:58 pm
    Permalink

    এই গল্প বুঝতে হলে বিশ্বসাহিত্য পড়ে আসতে হবে। এই গল্প আমার জন্য নয়।

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *